kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গাংনীতে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

মেহেরপুর প্রতিনিধি   

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



গাংনীতে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় যুবদলের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃৎত্তরা। গত রবিবার রাতে পৌর এলাকায় নিজের বাড়ির কাছে তিনি হামলার শিকার হন।

নিহত আবুল খয়ের (৩৫) থানাপাড়ার করিম মালিথার ছেলে। তিনি গাংনী পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ইনসারুল হক ইনসুর ছোট ভাই।

ইনসারুল হক দাবি করেন, তাঁর ভাই যুবলীগের রাজনীতি করতেন। অবশ্য কোনো পদে ছিলেন না। তবে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আখতারুজ্জামান বলেছেন, খয়ের পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন জানায়, রবিবার রাত ৯টার দিকে আবুল খয়ের গাংনী বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছলে ওত পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় তিনি মোটরসাইকেল থেকে নিচে পড়ে যান। হামলাকারীরা খয়েরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে কুপিয়ে জখম করে চলে যায়। তাঁর চিত্কারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খয়েরকে পাঠানো হয় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে খয়েরের মৃত্যু হয়।

পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ইনসারুল হক দাবি করেন, মৃত্যুর আগে তাঁর ভাই খয়ের পুলিশের কাছে হামলাকারীদের পরিচয় জানিয়ে গেছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওলিপাড়ার আকসারের ছেলে রিপন ও ইসলামের ছেলে আকসারের নেতৃত্বে তাদের লোকজন খয়েরের ওপর হামলা চালায়।

ইনসারুল জানান, এর আগে হামলাকারীরা খয়েরের ইটভাটায় চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছিল। এর জের ধরেই তারা খয়েরকে হত্যা করেছে।

গাংনী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, হামলাকারীদের সঙ্গে আগে থেকে খয়েরের বিরোধ ছিল। এর জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরো জানান,

 খয়েরের লাশ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


মন্তব্য