kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আলোকচিত্রে মূর্ত মহাত্মা গান্ধীর জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



আলোকচিত্রে মূর্ত মহাত্মা গান্ধীর জীবন

মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে গতকাল ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের নতুন চ্যান্সারি ভবনে তাঁর জীবন আশ্রিত আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সে দেশের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

অহিংস আন্দোলনের জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৪৭তম জন্মজয়ন্তী ছিল গতকাল রবিবার। জন্মদিনে স্মরণ করা হলো উপমহাদেশের এই কিংবদন্তি রাজনীতিবিদকে।

তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন আশ্রিত আলোকচিত্র নিয়ে শুরু হলো প্রদর্শনী। ভারতীয় হাইকমিশনের নতুন চ্যান্সারি ভবনে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। গতকাল দুপুর ১২টায় প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।

আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে মহাত্মা গান্ধীর শৈশব-কৈশোরের নানা স্মৃতির সঙ্গে উঠে এসেছে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের নানা ইতিবৃত্ত। ফ্রেমবন্দি হয়েছে সত্যাগ্রহ, অসহযোগ আন্দোলনের নানা মুহূর্ত। ভারতবর্ষের স্বাধীনতাকামী মানুষের মুক্তি দিতে গান্ধী বেড়িয়েছেন বিশ্বের নানা প্রান্তে। সেসব ছবিও ঠাঁই পেয়েছে প্রদর্শনীতে। বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে গান্ধীর সাক্ষাৎ, রাজনৈতিক সভা, সংবাদ সম্মেলন কিংবা জনসভায় তাঁর বিভিন্ন বক্তৃতার খণ্ডচিত্র উপস্থাপিত হয়েছে এসব আলোকচিত্রে।   তাঁর সঙ্গে ফ্রেমবন্দি হয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মদনলাল বসু ও ড. রাজেন্দ্র প্রসাদও।

১৯৪৬ সালে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সময় পূর্ববঙ্গে ছুটে এসেছিলেন মহাত্মা গান্ধী। ট্রেনের তৃতীয় শ্রেণির কামরায় চেপে তিনি হাজির হন নোয়াখালীতে। সেই মুহূর্তগুলোও উঠে এসেছে প্রদর্শনীতে। একটি ছবিতে দেখা যায়, চরকায় সুতা কেটে নিজের কাপড় বুনছেন মহাত্মা গান্ধী। একান্ত অবসরে শৈশবের ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে একটি দারুণ মুহূর্ত উঠে এসেছে একটি ছবিতে।

প্রদর্শনীর উদ্বোধনী বক্তব্যে হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, ‘ছবিগুলোর মাধ্যমে আমরা গান্ধীজিকে এই প্রজন্মের আরো কাছে নিয়ে যেতে চাই। তাঁর মানবপ্রেম, রাজনৈতিক দর্শনের কথাও আমরা তুলে ধরতে চাই তরুণ প্রজন্মের কাছে। ’

সপ্তাহব্যাপী স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব শুরু

একসঙ্গে ৬৪ জেলায় শুরু হলো স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব। রাজধানীসহ দেশের বাকি ৬৩টি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে চলবে সপ্তাহব্যাপী এ উন্মুক্ত উৎসব। আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান উৎসবে প্রদর্শিত হবে ৮৪টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্যচিত্র। ১৯৭১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নির্মিত ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে এ আয়োজন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত উৎসবে সহযোগিতা করছে ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম ও বাংলাদেশ প্রামাণ্যচিত্র পর্ষদ।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে সূচনা হয় উৎসবের। প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসব উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি ছিলেন তিন চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকি, মোরশেদুল ইসলাম ও মানজারেহাসীন মুরাদ। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।


মন্তব্য