kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বললেন

শিশু অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, দেশে যুবক ও মহিলাদের জন্য পৃথক অধিদপ্তর থাকলেও শিশুদের জন্য পৃথক অধিদপ্তর নেই। শিশুবিষয়ক অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি।

কারণ দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই শিশু।

‘সংবাদমাধ্যমে শিশু : নীতি-নৈতিকতা ও ধারণা’ নিয়ে দেশব্যাপী জাতীয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গতকাল শনিবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশন (বিডিএফ), ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও ইউনিসেফের আয়োজনে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, শিশুদের জন্য একটি পৃথক অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তিনি এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান। মন্ত্রী বলেন, শিশুদের চলাফেরার প্রতি সব সময় অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে, যাতে করে শিশু কোনোভাবেই বিপথে না যায়। একজন শিশুর গণমাধ্যম অনুসরণের প্রতিও অভিভাবকদের গুরুত্ব সহকারে খেয়াল রাখা উচিত। শিশুটি যে খবর পড়ছে বা যে অনুষ্ঠান দেখছে সেটি কতটুকু ভালো, কতটুকু তার জন্য উপযোগী তা বিবেচনা করে শিশুকে সুযোগ দিতে হবে। যাতে করে কোনো খবর পড়ে বা অনুষ্ঠান দেখে শিশু বিপথে না যায়।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মরতুজা আহমদ, বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের সদ্য বিদায়ী সভাপতি ডা. আব্দুর নূর তুষার ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি অ্যাডওয়ার্ড বেগবেডার প্রমুখ।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মরতুজা আহমদ বলেন, এখন বাংলাদেশে গণমাধ্যমের অনেক প্রসার হয়েছে। অনেক গণমাধ্যম নির্বিঘ্নে কাজ করছে। এই গণমাধ্যম পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি-নৈতিকতা রক্ষায় আরো যত্নবান হওয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আগের পর্বে ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যম শিশুবান্ধব নয়’—এই বিষয়ে ছায়া বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এই বিষয়ের পক্ষে ডা. আব্দুর নূর তুষারের নেতৃত্বে অংশ নেন সাবেক তথ্য কমিশনার ড. সাদেকা হালিম ও বিতার্কিক হাসান মাহমুদ বাবু। বিপক্ষে একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের নেতৃত্বে দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম ও সমকালের সহযোগী সম্পাদক অজয় দাশ গুপ্ত।

গতকালের জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে, কলেজ পর্যায়ে সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা কলেজ, স্কুল পর্যায়ে চট্টগ্রামের ডা. খস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ক্লাব পর্যায়ে সেরা হয়েছে দৃষ্টি চট্টগ্রাম।


মন্তব্য