kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রাজধানীর গাবতলীতে বিএডিসির বীজ তৈরির খামারের জমি বেদখল

আলোচনায় কাজ হয়নি, থানায় সাধারণ ডায়েরি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



রাজধানীর গাবতলীতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) বীজ উত্পাদন খামারের জমি দখল করে রেখেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। ফলে আলুবীজ সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণের কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য দখলদারদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। তারা দখল না ছাড়ায় গতকাল শনিবার দারুস সালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে বিএডিসি কর্তৃপক্ষ।

বিএডিসি ও দারুস সালাম থানা সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তাঁর অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে খামারের জমির আশপাশে ভবন নির্মাণ করে। পরে খামারের জমিতেও ভবন নির্মাণ করে। বিএডিসির স্থানীয় কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু তারা শোনেনি; উল্টো নির্মাণাধীন হিমাগারের পাশেই দেয়াল তোলে।

হিমাগারের একটি শেডের জন্য তিনটি কলাম করার কথা ছিল। কিন্তু দেয়ালের কারণে সে কাজ থেমে আছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে গাবতলী বীজ খামারের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম সবুজ গতকাল দারুস সালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। দারুস সালাম থানার ডিউটি অফিসার জানান, এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে বিএডিসি কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত পাঁচ বছরে বিএডিসি বিভিন্ন ফসলের ছয় লাখ ৩৬ হাজার ৬২৩ টন বীজ উত্পাদন করেছে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৪২৪ টন বীজ কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে গাবতলী বীজ খামার। এর আয়তন প্রায় ১১৭ একর। খামারটিকে আরো উন্নত করতে ২০১৫ সালে একটি আলুবীজ হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বিএডিসি। কিন্তু দখলদারদের কারণে নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তারা খামারের প্রায় ১০-১২ শতাংশ জায়গা দখল করে রেখেছে।

বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, খামারটিকে দখলমুক্ত করতে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নেওয়া হবে। প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলকে বলা হবে।


মন্তব্য