kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সৃজনশীল প্রশ্নে নম্বর বাড়িয়ে নতুন নিয়ম

প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রামে বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও চট্টগ্রাম   

২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রামে বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের

এসএসসি ও এইচএসসিতে সৃজনশীল প্রশ্নে নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে গতকাল রাজধানীতে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী প্রশ্ন থেকে নম্বর কমানো ও সৃজনশীল প্রশ্নে নম্বর বাড়ানোর নতুন নিয়মের প্রতিবাদে গতকাল শনিবার ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ও শাহবাগে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় তারা নতুন নিয়ম বাতিল করতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়। দাবি পূরণ না হলে আগামী মঙ্গলবার থেকে লাগাতার কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টা থেকে নগরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা বোর্ড চত্বরে জড়ো হয়। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগই ছিল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের।

গতকাল সকাল ১১টার দিকে প্রথমে শাহবাগ চত্বরে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এরপর দুপুর ১২টার দিকে তারা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যায়। একপর্যায়ে তারা রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করে। দুপুর ২টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে শিক্ষার্থীরা। কিছু সময়ের জন্য ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের সড়কগুলোতে যানজটের সৃষ্টি হয়। এরপর আবার শাহবাগ চত্বরে ফিরে যায় তারা। সেখানেও কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করে। এরপর আজ রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করারও ঘোষণা দিয়ে শাহবাগের চত্বরে কর্মসূচি শেষ করে শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানায়, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী বা এমসিকিউ থেকে ১০ নম্বর কমিয়ে সৃজনশীল অংশে বাড়ানো হয়েছে। এতে সৃজনশীলে ছয়টি প্রশ্নের বদলে ২০১৭ সাল থেকে সাতটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। কিন্তু ১০ নম্বর বাড়ালেও সময় বাড়ানো হয়েছে মাত্র ১০ মিনিট। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে সাতটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুবই কষ্টকর হয়ে পড়বে। তাই আমরা চাই, আগের পরীক্ষাগুলোর মতোই নম্বর বণ্টন অব্যাহত থাকুক।


মন্তব্য