kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আলোচনা সভায় বক্তারা

শান্তি প্রতিষ্ঠায় গান্ধীর দর্শন বাস্তবায়ন জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বর্তমান সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গান্ধীর দর্শন বাস্তবায়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন বক্তারা। তাঁরা বলেন, ‘দেশের যুবসমাজ যদি গান্ধীর দর্শনে আত্মনিয়োগ করে, তাহলে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে সার্বিক পরিবর্তন আসবে। দেশে শান্তি, অহিংসা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রসারেও গান্ধীর দর্শনের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। আর গান্ধীর দর্শন শুধু ভারত ও বাংলাদেশের নয়, সমগ্র বিশ্বে শান্তির জন্য প্রয়োজন রয়েছে। ’

গতকাল শনিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘সমাজ পরিবর্তনে যুবসমাজের ভূমিকা ও গান্ধী দর্শন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর নিক বেরেসফোর্ড, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার এলিসন ব্লেক, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী, সংসদ সদস্য পঙ্কজ বেদনাথ ও উষাতন তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস, গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক ঝর্ণা ধারা চৌধুরী, জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করবী রাকশান্দ প্রমুখ।

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘গান্ধী ছিলেন একজন মহান দার্শনিক। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করেছেন। সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত শ্রেণির মানুষকে সঙ্গে নিয়ে অহিংস সংগ্রাম করেছেন। তিনি প্রায় শত বছর আগে উপলব্ধি করেছিলেন যে মানবসম্পদ উন্নয়ন ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। ’


মন্তব্য