kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মানবাধিকার কর্মীকে মারধর চেয়ারম্যানের!

মামলা নিতে গড়িমসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা   

১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



খুলনার ডুমুরিয়ার কুশারহুলা গ্রামে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হিমাংশু বিশ্বাসের নেতৃত্বে এক মানবাধিকারকর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর নাম অমরেশ গাইন।

সে মাইনরিটি ওয়াচের খুলনা জেলা প্রতিনিধি। গত ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর মানবাধিকারকর্মী অমরেশ গাইন থানায় মামলা করতে গেলে এ নিয়ে গড়িমসি করছে পুলিশ। তারা বলছে, এজাহার থেকে ভাণ্ডারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হিমাংশু বিশ্বাসের নাম বাদ দিলে মামলা নেওয়া হবে।

জানা যায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলে করে ডুমুরিয়া সদরের দিকে যাচ্ছিলেন অমরেশ গাইন। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান হিমাংশু বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল লোক দেশি অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর ওপর আক্রমণ করে পালিয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে গ্রামবাসী তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে থানায় এজাহার দাখিলের আবেদন করেন। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ এখনো এজাহার নথিভুক্ত করেনি।

এ বিষয়ে ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুভাষ বিশ্বাস বলেন, ‘এজাহার আবেদনকারীকে চেয়ারম্যানের নাম বাদ দিয়ে আবেদনটি পুনরায় লিখে দিতে বলা হয়েছে। তাহলে আবেদনটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে। ’

আহত অমরেশ গাইন জানান, চেয়ারম্যানের সঙ্গী প্রীতিশ বৈরাগী, রুদ্র মিস্ত্রী, অনিমেশ বিশ্বাস, লোকেশ্বর কবিরাজ, বলাই মণ্ডল, সৌরিন্দ্রনাথ হালদার, দীপক বিশ্বাস, সেবক বিশ্বাস, সন্দীপ্ত বিশ্বাসসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো চার-পাঁচজন তাঁর ওপর হামলা করে। তাদের বাড়ি বান্দা ও কুশারহুলা গ্রামে।

অমরেশ বলেন, ‘হামলাকারীরা স্থানীয় সংসদ সদস্য মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের অনুসারী। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হিমাংশু বিশ্বাসকে মন্ত্রী সমর্থন দিয়েছিলেন। ওই সময় প্রতিপক্ষের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় তারা আমাকে হুমকি দিয়েছিল। ’

 


মন্তব্য