kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মা-বাবার কবরের পাশে শায়িত হলেন হান্নান শাহ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর   

১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া গ্রামে মা-বাবার কবরের পাশে অন্তিম শয্যায় শায়িত হলেন বিএনপি নেতা আ স ম হান্নান শাহ। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় গাজীপুরে চার দফা জানাজার পর পারিবারিক গোরস্তানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

গতকাল সকাল ৯টা ২০ মিনিটে গাজীপুর শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে, সকাল সাড়ে ১০টায় কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে ঘাগটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও বিকেল সাড়ে ৪টায় ঘাগটিয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। চার দফা জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।  

এর আগে হান্নান শাহর মরদেহ সিএমএইচ থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় গাজীপুরের রাজবাড়ী মাঠে পৌঁছায়। সেখানে অস্থায়ী মঞ্চে তাঁর মরদেহ রাখা হয়। গতকাল সকাল থেকে কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীরা কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হতে থাকেন। বিএনপি নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে।

এ সময় কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এফ এম কামাল ফকির বলেন, ‘হান্নান শাহকে হারিয়ে আমরা একজন অভিভাবক হারিয়েছি। শুধু কাপাসিয়া নয়, গোটা গাজীপুরে হান্নান শাহর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ’

বিকেল সাড়ে ৪টায় ঘাগটিয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজার পর বিকেল সাড়ে ৫টায় মা-বাবার কবরের পাশে সমাহিত করা হয় হান্নান শাহকে। দাফনের আগে তাঁর পরিবারের সদস্যরা একে একে শেষবারের মতো মরদেহ দেখেন। ওই সময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়লে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

দাফনের পর ১০ সদস্যের একটি চৌকস সেনাদল সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মরণোত্তর সম্মান প্রদর্শন করেন। এরপর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. মঈন খান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুলসহ নেতারা চেয়ারপারসন ও  বিএনপির পক্ষ থেকে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে একে একে জেলা ও উপজেলা বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীরা কবরে পুষ্পস্তবক দেন।


মন্তব্য