kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসবে মাতবে দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসবে মাতবে দেশ

প্রথমবারের মতো সারা দেশে একযোগে স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির পাশাপাশি ৬৪টি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

এতে প্রদর্শিত হবে ৮৪টি চলচ্চিত্র। দর্শকরা বিনা মূল্যে উৎসবে সিনেমা দেখার সুযোগ পাবে।   গতকাল বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য একটি নির্বাচন কমিটি দুই শতাধিক চলচ্চিত্রের মধ্য থেকে ৩৫টি স্বল্পদৈর্ঘ্য এবং ২৯টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্বাচন করেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে নির্মিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র থেকে ১১টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র এবং ৯টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্বাচন করা হয়। সব মিলিয়ে ৮৪টি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

‘বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৬’ আয়োজনে সহযোগিতা করছে ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম ও বাংলাদেশ প্রামাণ্যচিত্র পর্ষদ।

উৎসবে প্রদর্শিত স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র থেকে উভয় শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ও বিশেষ জুরি পুরস্কার দেওয়া হবে। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের জন্য এক লাখ টাকা করে দুজনকে দুই লাখ টাকা এবং শ্রেষ্ঠ নির্মাতাকে ৫০ হাজার করে দুজনকে এক লাখ টাকা দেওয়া হবে। ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হবে। ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হবে বিশেষ জুরি পুরস্কারপ্রাপ্তকে। এ ছাড়া যেসব চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শন করা হচ্ছে সেসব চলচ্চিত্রের নির্মাতাদের সনদপত্র দেওয়া হবে। এ জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি জুরি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগামী রবিবার শুরু হয়ে উৎসব চলবে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিটি মিলনায়তনে প্রতিদিন বিকেল সাড়ে ৪টা ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হবে বলে জানানো হয়েছে।

আগামী রবিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে উৎসবের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকি, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক বেলায়াত হোসেন মামুন, বাংলাদেশ প্রামাণ্যচিত্র পর্ষদের সভাপতি আনোয়ার চৌধুরী, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সমপাদক সালাউদ্দিন আহমেদ অটন প্রমুখ।

লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের কাজগুলো আমরা শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে দেশের সব মানুষকে দেখার সুযোগ করে দেব। তবে প্রতিযোগিতা থাকবে, কারণ প্রতিযোগিতা না থাকলে উৎসাহ থাকে না। যেমন এই উৎসবে আমরা জুরি কমিটির মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ও শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচন করেছি। তাই আমি আশা করব, তরুণ নির্মাতারা আমাদের আরো ভালো কাজ উপহার দেবে। ’


মন্তব্য