kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বরগুনার সেই পিআইও রণজিৎ কারাগারে

বরগুনা প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বরগুনার সেই পিআইও রণজিৎ কারাগারে

দুর্নীতির মামলায় বরগুনা সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রণজিৎ কুমার সরকারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

বরগুনার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. হাসানুজ্জামান ওই আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন বরগুনার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ জানান, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাস্তবায়িত একাধিক প্রকল্পে অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে বরগুনার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন বরগুনা সদরের আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের খাজুরতলা গ্রামের বাসিন্দা সামসুল হক সানু। তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযোগের সত্যতা পেলে গত ২০ সেপ্টেম্বর পিআইও রণজিৎসহ অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আদালত। এ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য তিনজন এখনো পলাতক রয়েছেন। তাঁরা হলেন সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের তৎকালীন ইউপি সদস্য মো. নাজমুল আহসান নিজাম, মো. মহিব্বুল্লাহ রিপন ও তাছলিমা এলেনুর।

মামলার বাদী সামসুল হক সানু তাঁর অভিযোগে বলেন, পিআইও রণজিৎ সরকার অন্য আসামিদের যোগসাজশে ২০১২-১৩ অর্থবছরে আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের চারটি প্রকল্পের অনুকূলে কোনো কাজ না করেই বরাদ্দকৃত ১৮ লাখ টাকার ১৭ লাখই তুলে আত্মসাৎ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১০ বছরের বেশি সময় ধরে বরগুনা সদরে পিআইও পদে চাকরি করছেন রণজিৎ কুমার সরকার। দীর্ঘ এ সময়ে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, অসাধু ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও ঠিকাদারদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম করে তিনি কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।


মন্তব্য