kalerkantho


সেমিনারে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

তিন বছরের মধ্যে ৭০ শতাংশ এলাকায় এলপিজি পৌঁছাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বিশুদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের ৭০ শতাংশ এলাকায় লিকুইফায়েড পেট্রলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) পৌঁছে দেওয়া হবে।

গতকাল রাজধানীর রমনায় স্রেডা আয়োজিত এক সেমিনারে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ কথা বলেন। এলপিজির ব্যবহার বাড়াতে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) ও সংশ্লিষ্টদের বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে বলেন তিনি।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নসরুল হামিদ বলেন, আধুনিক ও উন্নত চুলা গ্রামের মানুষও ব্যবহার করছে। এ ধরনের সেমিনার গ্রামে করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ উন্নত হচ্ছে। তাই এর জ্বালানিব্যবস্থা উন্নত হওয়া আবশ্যক। সরকার নিরাপদ ও সাশ্রয়ী জ্বালানি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের বিশুদ্ধ জ্বালানি হতে পারে এলপিজি।

উন্নয়ন সহযোগীরা এর বাজারজাতকরণ ও ব্যবহারের বিষয়ে ভূমিকা রাখতে পারে। সবার সহযোগিতায় টেকসই জ্বালানির প্রসার ঘটিয়ে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার।

উন্নত চুলা বাজারজাতকরণবিষয়ক ওই সেমিনারে অন্য বক্তারা বলেন, আধুনিক ও উন্নত চুলায় জ্বালানি খরচ কম হয়। এ ধরনের চুলা বহনযোগ্য; সর্বনিম্ন দাম এক হাজার ২০০ টাকা। যেকোনো আয়ের মানুষ এ চুলা কিনতে পারে। এ চুলার তিন বছরের ওয়ারেন্টি থাকে।

বক্তারা আরো বলেন, আধুনিক চুলায় ধোঁয়া কম হয়। ফলে এটি ব্যবহারকারীর শ্বাসযন্ত্রের রোগের ঝুঁকি কমায়। এ চুলা ব্যবহার করলে মাসে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা সাশ্রয় হবে।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে স্রেডার চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম শিকদার, জিএসিসির আঞ্চলিক পরিচালক অরিজিৎ বসু প্রমুখ ক্তব্য দেন।


মন্তব্য