kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভবনের রিজার্ভ ট্যাংক পরিষ্কারের সময় দগ্ধ ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ভবনের রিজার্ভ ট্যাংক পরিষ্কারের সময় দগ্ধ ৬

ধানমণ্ডিতে একটি ভবনের রিজার্ভ ট্যাংকে বিস্ফোরণে দগ্ধদের একজন ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে।

রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকার একটি ভবনে পানির রিজার্ভ ট্যাংক পরিষ্কারের সময় আগুনে দগ্ধ হয়েছেন ছয়জন। সাদ্দাম হোসেন, রাজ্জাক, মাসুম আলী, আবদুর রাজ্জাক ও শিরিন আক্তার নামের দগ্ধদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ধানমণ্ডি ৪ নম্বর সড়কের একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। ট্যাংকের ভেতরে ধূমপান করতে গিয়ে আগুনের সূত্রপাত বলে দগ্ধ একজন জানিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

ঢামেক বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক পার্থ শঙ্কর পাল সাংবাদিকদের জানান, দগ্ধদের মধ্যে শিরিন আক্তারের ২০ শতাংশ, সাদ্দামের ৩০, আবেদ আলী ৩৮, রাজ্জাকের ২৭, আবদুর রাজ্জাক ৩৮ ও মাসুমের শরীরের ৪৯ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাঁদের সবার খাদ্যনালি আক্রান্ত হয়েছে। সে কারণে কাউকেই শঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না।

ধানমণ্ডি থানার ওসি হেলাল উদ্দিন জানান, ধানমণ্ডি ৪ নম্বর সড়কের ৩৪/এ নম্বর বাড়িতে তিন দিন ধরে রিজার্ভ ট্যাংক সংস্কারের কাজ চলছিল। পানিশূন্য ট্যাংকে শ্রমিকরা কাজ করার সময় হঠাৎ আগুন ধরে যায়। ঠিক কী কারণে আগুন ধরেছে তাত্ক্ষণিক জানা যায়নি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের মোহাম্মদপুর স্টেশন থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এর আগেই দগ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ওসি এনায়েত হোসেন বলেন, রিজার্ভ ট্যাংকে পানি ছিল না। তাতে গ্যাস জমা হয়েছিল। বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে কাজ করার সময় দুর্ঘটনাবশত এ পরিস্থিতি হতে পারে। তদন্তের আগে কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাদ্দাম হোসেন জানান, মঙ্গলবার থেকে পানির ট্যাংক পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন তাঁরা। বুধবার সকালে সব শ্রমিক ট্যাংকের ভেতরে ঢোকেন। কাজের একপর্যায়ে ভবনের নিরাপত্তাকর্মী আবেদ আলী সিগারেট ধরালে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ট্যাংক থেকে বের হওয়ার একটি পথ থাকায় বের হতে সময় লেগে যায়। তখন উপস্থিত সবার গায়েই আগুন ধরে যায়। ভবনের বাসিন্দা ও আশপাশের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করেন।

রাকিবুল ইসলাম নামের এক বাসিন্দা আহতদের হাসপাতালে নেন। তিনি আগুনের কারণ সম্পর্কে কোনো ধারণা জানাতে পারেননি।


মন্তব্য