kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


‘অনেক পুরুষ সদস্যই মানতে চান না’

খুলনা অফিস   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেক পুরুষ সদস্যই মানতে চাননি—ইউনিয়ন পরিষদে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে এমন কথাই জানালেন খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বিউটি মণ্ডল।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে খুলনা নগরের একটি অভিজাত হোটেলে ‘ইউপি নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক এক সভায় বিউটি এসব কথা বলেন।

মানবসেবা ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার (মাসাস) উদ্যোগে ও উইমেনস অ্যাকটিভ ভয়েস ইন ইলেকশনের সহযোগিতায় এ সভা হয়। এতে তৃণমূল পর্যায়ের ১৫ জন নারী, যাঁরা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন বা জয়ী হয়েছেন তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ইউপি সদস্য বিউটি মণ্ডল বলেন, ‘এক হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছি। এরপর প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচনে সর্্বোচ্চ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছি। কিন্তু যখন এক সপ্তাহের জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছি, তখন অনেক পুরুষ সদস্যই নানাভাবে অসহযোগিতা করেন। এমনকি অনেকে ওই কদিন পরিষদ কার্যালয়ে আসেননি। ’ এই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেও থেমে থাকেননি বিউটি মণ্ডল। তিনি বলছিলেন, ‘আমি ভালোভাবেই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। শুধু ভারপ্রাপ্ত হিসেবেই নয়, ইচ্ছে হলে পুরো চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন সম্ভব। ’

ডুমুরিয়ার রুঘদারা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য রোজিনা পারভীন বলেন, ১৯৯৭ সাল থেকে দুইবার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এবার জিততে পারেননি। ভোটে কারচুপি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়নি। প্রতিবাদ করলেই সমস্যা। সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন কানিজ ফাতেমা। এতে মত প্রকাশ করা হয়েছে যে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় তৃণমূল পর্যায়ে সংরক্ষিত আসনগুলোতে নারীরা নির্বাচিত হলেও বরাদ্দ, সম্মান, নাগরিক সেবা, অধিকার থেকে এখনো নারীরা বঞ্চিত হচ্ছে।


মন্তব্য