kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সংসদে বিল উত্থাপন

স্বল্পব্যয়ে দ্রুত ও উন্নত বাসভিত্তিক সেবা দিতে নির্মিত হবে বিআরটি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



স্বল্পব্যয়ে ও উন্নত সড়কনির্ভর বাসভিত্তিক গণপরিবহন সেবা দিতে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) নির্মাণ করা হবে। এ জন্য বিশেষ ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ, পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ এবং আনুষঙ্গিক বিধান প্রণয়নে ‘বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) বিল-২০১৬’ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার রাতে জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিলটি উত্থাপনের পর অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। কমিটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

সংসদে উত্থাপিত বিলের বিধান অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী জেলার মধ্যে এই বিআরটি স্থাপন ও পরিচালনা করা হবে। বিআরটি পরিচালনার জন্য লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে শতভাগ সরকারি কম্পানিকে লাইসেন্স ফি দেওয়া হবে না। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির ভিত্তিতে বিআরটি স্থাপন, স্থাপনা ও পরিচালনার সুযোগ রাখা হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া বিআরটি নির্মাণ, উন্নয়ন বা পরিচালনা করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। অনুমোদন ছাড়া লাইসেন্স হস্তান্তর করলে একই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে।

প্রস্তাবিত আইনটিতে বিআরটির ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বঙ্গবন্ধু সেতু, পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল আইন ও পায়রা বন্দর আইনের মতো বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। বিআরটি নির্মাণ বা পরিচালনা হতে পারে, এমন কোনো স্থানে ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ঘরবাড়ি বা স্থাপনা নির্মাণ করা হলে সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিককে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না। জমির শ্রেণি পরিবর্তন করলেও কোনো ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না। কর্তৃপক্ষের এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ সাত কর্মদিবসের মধ্যে আপিল করতে পারবে।


মন্তব্য