kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টাঙ্গাইলে ফারুক হত্যা মামলা

আত্মসমর্পণের পর আরো ২ আসামি কারাগারে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



আত্মসমর্পণের পর আরো ২ আসামি কারাগারে

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আরো দুই আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। গতকাল শনিবার টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম) আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এ দুই আসামি হলেন নাসির উদ্দিন নূরু ও সাবেক পৌর কমিশনার মাছুদুর রহমান মাসুদ।

এর আগে গত রবিবার এ মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা। তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে তাঁকে পরদিন সোমবার কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। তবে এ মামলার আসামি তাঁর তিন ভাই এখনো পলাতক রয়েছেন।

টাঙ্গাইল পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক অশোক কুমার সিংহ জানান, গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নাসির উদ্দিন নূরু ও মাছুদুর রহমান মাসুদ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। শুনানি শেষে বিচারক আবুল মনসুর মিয়া জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি ফারুক হত্যা মামলায় আদালতে ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। গত ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে সংসদ সদস্য রানা এবং তাঁর তিন ভাইসহ পলাতক ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।  

গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অন্য আসামিরা হলেন রানার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা এবং রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবির হোসেন, দারোয়ান বাবু ওরফে দাঁতভাঙা বাবু, তত্কালীন যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন চান ও ছানোয়ার হোসেন ছানু।

আগেই গ্রেপ্তার হয়ে যে চারজন কারাগারে আছেন তাঁরা হলেন আনিসুর রহমান রাজা, মোহাম্মদ আলী, ফরিদ আহমেদ ও সমীর। তাঁদের মধ্যে আনিসুর রহমান ও মোহাম্মদ আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে ফারুক আহমেদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার তিন দিন পর ফারুকের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ তদন্ত করলেও পরে ডিবি মামলাটি তদন্ত করে।


মন্তব্য