kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রকাশিত সংবাদ ও বিসিআইসির ব্যাখ্যা

দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিবাদ

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



গত ১৮ সেপ্টেম্বর কালের কণ্ঠে ‘সরকারি সার চুরির ধুম’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)। তাতে বলা হয়েছে, প্রকাশিত সংবাদে যেসব তথ্য-উপাত্ত দেওয়া হয়েছে তা বিসিআইসির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভিন্ন সময়ের যোগাযোগে উপস্থাপিত তথ্য।

বিসিআইসি সার উত্পাদন, আমদানি থেকে শুরু করে সার বিপণন করে থাকে সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও কার্যকর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। সার বণ্টন কার্যক্রম বেসরকারি পরিবহন ঠিকাদারের পাশাপাশি সাম্প্রতিককালে বিআরটিসি ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সাধ্যমে সম্পন্ন করছে। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিআরটিসি ও রেলওয়ের পক্ষে বিসিআইসির উত্পাদিত সার নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ না থাকায় বেসরকারি পরিবহন ঠিকাদারদের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে ভালো ও মন্দ—দুই ধরনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিআরটিসি ও রেলওয়ে কোনো রকম যাত্রাবিরতি ছাড়া সার গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। বেসরকারি পরিবহন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ২১ দিনের মধ্যে নির্ধারিত গন্তব্যে সার পৌঁছে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এর বাইরে কথিত ট্রানজিটের কোনো সুযোগ নেই। এ নিয়মের যখনই ব্যত্যয় হয়েছে তখনই বিসিআইসি ব্যবস্থা নিয়েছে।

বিসিআইসির বিদ্যমান সার পরিবহন পদ্ধতিতে সার চুরি করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। তা সত্ত্বেও প্রকাশিত সংবাদটি বিসিআইসি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে এবং এর সত্যতা খতিয়ে দেখছে।

দুই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিবাদ : ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে পৃথক প্রতিবাদ জানিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পোটন অ্যান্ড ট্রেডার্স ও গ্রামসিকো। পোটন অ্যান্ড ট্রেডার্স বলেছে, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠান সর্বদা স্বচ্ছভাবে দরপত্রে অংশগ্রহণ করে সর্বনিন্ম দরদাতা হিসেবে সার পরিবহনের কার্যাদেশ পেয়েছে। এখানে সিন্ডিকেটের কোনো সুযোগ নেই। বিসিআইসির গুদাম স্বল্পতার জন্য আমাদের অতিরিক্ত খরচে সার বিভিন্ন ঘাটে সংরক্ষণ করতে হয়, যা আমরা বিসিআইসিকে অবহিত করে আসছি। ’

প্রতিবাদে গ্রামসিকো বলেছে, ‘প্রতিবেদনে উল্লিখিত তিন জাহাজের সার ২১ দিনের মধ্যে গুদামে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কোনো সার আমাদের প্রতিষ্ঠানের কাছে অনাদায়ি নেই। বিসিআইসির নথিতে পাওয়া যাবে—জাহাজের চূড়ান্ত রিপোর্ট হওয়ার আগেই আমরা সার গুদামে পৌঁছে দিয়েছি। খোলাবাজারে সার বিক্রির প্রশ্ন বাতুলতা ছাড়া কিছু নয়। ’

প্রতিবেদকের বক্তব্য : বিসিআইসির করা তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত সার গায়েব ও বিলম্বে পৌঁছানোর তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লিখিত তথ্য-উপাত্তের সবই বিসিআইসির বিভিন্ন সময়ের প্রতিবেদন ও চিঠির ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য ছিল না।


মন্তব্য