kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


৩৪৬টি কেন্দ্রে ইউপির ভোট

স্থগিতের দীর্ঘ সময় পর ভোটের ভাবনা ইসির

বিশেষ প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



এবারের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে নানা অনিয়মের কারণে স্থগিত রাখা ৩৪৬টি কেন্দ্রের ভোট ঝুলে আছে প্রায় চার থেকে সাত মাস পর্যন্ত। এর ফলে প্রায় ১০০ ইউপি পুনর্গঠন হয়নি।

আগের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এখনো দায়িত্বে রয়েছেন ওই সব ইউপিতে। এ ধরনের অবস্থা আগের ইউপি নির্বচনগুলোতে হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১১ সালের ইউপি নির্বাচনের সময় স্থগিত ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণে আগের কমিশন এত সময় নেয়নি। ভোট স্থগিত হওয়ার পরপরই আবার ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু এবার নানা কারণে সেই ভোটগ্রহণ ঝুলে আছে। গত ঈদুল ফিতরের পরে স্থগিত কেন্দ্রগুলোর ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বন্যা এবং দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সে পরিকল্পনা বাতিল করে কমিশন। ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে পুনরায় ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তাব দিলেও তা চূড়ান্ত করা থেকে বিরত থাকে কমিশন। সর্বশেষ ইসি সচিবালয় থেকে স্থগিত কেন্দ্রগুলোতে আগামী ৩১ অক্টোবর ভোটগ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সে প্রস্তাবে গতকাল শনিবার বিকেল পর্যন্ত সিইসি ছাড়া বাকি চার নির্বাচন কমিশনার সম্মতি দিয়েছেন। আজ সিইসির সম্মতি পাওয়া গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

এবার ছয় ধাপে চার হাজার ২৭৬টি ইউপির ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। চলতি বছরের ২২ মার্চ ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হয়। ইউপির ভোট শেষ হয় ৪ জুন।

ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা, ব্যালট ছিনতাই, আগেই ব্যালটে সিলমারাসহ নানা অনিয়মের কারণে ৩৪৬টি ভোটকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়। এর মধ্যে রাজশাহীর বাঘা ও চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুরো উপজেলার সব ইউপির ভোট স্থগিত আছে। এসব কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা হিসেব করে চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে ভোটের ব্যবধান ভোটার সংখ্যার চেয়ে বেশি থাকলে পুনরায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। তবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যার চেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে অন্যান্য কেন্দ্রে প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান কম হলে নির্বাচন পরিচালনা বিধির ৩৭ (২) অনুযায়ী অবশ্যই পুনরায় ভোটগ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মো. ফরহাদ আহাম্মদ খান জানান, ভোটগ্রহণের দিন স্থগিত হওয়া কেন্দ্র এবং ভোটের দু-এক দিন আগে উচ্চ আদালতের আদেশে যেসব ইউপিতে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়েছে সেসব কেন্দ্রে পুনরায় ভোট হবে। এ বিষয়ে কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।


মন্তব্য