kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ

বাগেরহাটে গ্রেপ্তার সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা

খুলনা অফিস ও বাগেরহাট প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বাগেরহাট সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) ও সিবিএ নেতা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খলিফাকে (৫০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকা থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন তাঁকে আটক করে।

জাহাঙ্গীর হোসেনকে কমিশনের কার্যালয়ে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ব্যাংকটির বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এই নিয়ে বাগেরহাটের দুজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে গত ৭ আগস্ট রাতে একই অভিযোগে ওই ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক শেখ মুজিবর রহমানকে (৫৫) গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন। তিনি বর্তমানে বাগেরহাট কারাগারে রয়েছেন।

শেখ মুজিবর রহমান ও ব্যাংকের আরেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শেখ মাহফিজুর রহমান বাবুকে গত বছরের ডিসেম্বরে কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। তবে গতকাল গ্রেপ্তার করা জুনিয়র অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন খলিফা এখনো চাকরিতে বহাল রয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের বাগেরহাট-খুলনা-সাতক্ষীরা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবুল হাশেম কাজী খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি কালের কণ্ঠকে জানান, জাহাঙ্গীর বেশ কিছুদিন ধরে ব্যাংকেও অনিয়মিত ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ রবিবার খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় সোপর্দ করা হবে।

কমিশনের এ কর্মকর্তা বলেন, ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট শহরের রেলরোডে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক থাকা অবস্থায় শেখ মুজিবর রহমান, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শেখ মাহফিজুর রহমান বাবুসহ তিন কর্মকর্তা ও ১২ জন গ্রাহক মিলে এ অপকর্ম করেছেন। তাঁরা ভুয়া কাগজ বানিয়ে অন্য ১৫০ জন গ্রাহকের হিসাব থেকে চার কোটি ৪৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় গত বছরের ১ অক্টোবর নতুন যোগদান করা শাখা ব্যবস্থাপক খান বাবলুর রহমান বাদী হয়ে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি মামলা করেন। ওই বছরের ২৪ ডিসেম্বরে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা তদন্ত শুরু করে।


মন্তব্য