kalerkantho


বড় প্রেজেন্টেশনের আগে...

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বড় প্রেজেন্টেশনের আগে...

১. রেস্টরুমের ব্যবহার : যখন আপনি স্নায়ুচাপে ভুগছেন, তখনই মনে হতে পারে যে মঞ্চে উঠতে হবে। তবে সেখানে যাওয়ার আগে রেস্টরুমে গিয়ে নিজেকে কিছুটা ভারমুক্ত করুন। একদম হালকা লাগবে।

২. আয়নায় দেখে নিন : কল্পনাপ্রবণ হওয়াটা বেশ ক্ষতিকর হতে পারে। দাঁতে কিছু লেগে রয়েছে? চিন্তা না করে আয়নায় দেখে নিন। গোটা অবয়ব নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত হোন যে সব ঠিক আছে।

৩. কক্ষ বা হলরুম একটু দেখে নিন : যেখানে প্রেজেন্টেশন করবেন তা আগে থেকেই দেখে নিন। শ্রোতাদের গ্যালারিটা মনে গেঁথে রাখুন, যেন মঞ্চে উঠে সব কিছু নতুন মনে না হয়।

৪. গভীর শ্বাস নিন : এটা চটজলদি মেডিটেশনের মতো। এ সময়টায় উত্তেজনা পেশিকে টানটান করে রাখে। কিন্তু আপনার স্থিত হওয়া দরকার। তাই গভীরভাবে শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। কাজটি কয়েকবার করুন। দেখবেন অনেকটা হালকা লাগছে।

৫. ইতিবাচক চিন্তা ও দৃশ্যে মন দিন : মানসিক চাপ সামলাতে পারেন কিছু ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে। যেকোনো ভালো বিষয় বা দৃশ্য মাথায় আনুন। এগুলো আপনার মনটাকে শান্ত করবে।

৬. হালকা ব্যায়াম : মস্তিষ্কে যথেষ্ট অক্সিজেন পাঠাতে হালকা ব্যায়ামের বিকল্প নেই। হাত-পা একটু নাড়িয়ে নিন। স্ট্রেসিং এ সময় খুব উপকারী। কয়েক মিনিট হাঁটাহাঁটিও করে নিতে পারেন।

৭. কথা বলার ভঙ্গিতে ৫ মিনিট : মঞ্চে যে ভঙ্গিতে কথা বলবেন বলে ঠিক করে রেখেছেন, সেভাবেই মিনিট পাঁচেক দাঁড়িয়ে থাকুন। স্থির হয়ে দাঁড়াবেন। গভীর মনোযোগে অভ্যন্তরে শক্তি আনুন। একটু সময় দিন। ভেতরটা উষ্ণতায় পূর্ণ হবে।

৮. স্মার্টফোনের কথা ভুলে যান : এ সময়টায় কোনোভাবেই স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত হবেন না। এতে আসন্ন কাজে মনোযোগ নষ্ট হবে। স্মার্টফোনে কিছু দেখা বা শোনার কাজ থেকে বিরত থাকুন।

৯. উপহার দিতে চলেছেন : একজন প্রেজেন্টার হিসেবে মনে রাখবেন, আপনি উপস্থিতদের কিছু উপহার দিতে চলেছেন। এমন মানসিকতায় গোটা বিষয়টি সফলভাবে সম্পন্ন হবে। তাদের ভালো কিছু দিতে হবে। এতে আপনি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন। অন্যকে সহায়তার মনোভাব রাখুন।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

 


মন্তব্য