kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জাল সনদে সাবরেজিস্ট্রারের চাকরি

সকালে ঢাকায় মামলা দুপুরে পেকুয়ায় ধরা

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



জাল সনদ দিয়ে দীর্ঘদিন চাকরি করার অভিযোগে ঢাকার শাহবাগ থানায় গতকাল সকালে মামলার পর কক্সবাজারের চকরিয়ার সাবরেজিস্ট্রার পরিতোষ কুমার দাসকে দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে সকালে মামলার পর কক্সবাজারের পেকুয়া সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয় থেকে পুলিশের সহায়তায় দুদকের কর্মকর্তারা তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

এরপর বিকেলে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

পরিতোষ কুমার দাস ২০০৯ সাল থেকে সাবরেজিস্ট্রার পদে যোগ দেন। ইতিমধ্যে তিনি বিভিন্ন উপজেলায় সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে চাকরি করেন। সর্বশেষ গত ২০১৫ সালের ১৭ মে সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে চকরিয়া কার্যালয়ে যোগ দেন তিনি। পাশাপাশি পেকুয়া সাবরেজিস্ট্রার হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তিনি দুদকের নজরে আসেন গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর। এদিন চকরিয়ায় অনুষ্ঠিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণশুনানিতে ভুক্তভোগী লোকজন তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আনেন। এর পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা বিষয়ে তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন। ওই তদন্তে উঠে আসে জাল সনদে চাকরির বিষয়টিও।

দুদক কর্মকর্তা আহমদ ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘পরিতোষ কুমার দাস মূলত এইচএসসি পাস। ১৯৮৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে মনোনয়ন লাভের জন্য তিনি তত্কালীন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা জীবনবৃত্তান্তে নিজেকে এমএসসি পাস হিসেবে উল্লেখ করে একটি সনদও সংযুক্ত করেন। পরবর্তী সময়ে ওই সনদ কৌশলে সরিয়েও নেন। তবে ২০০৯ সালে সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে কাজে যোগ দেন তিনি। ’

দুদক কর্মকর্তা আরো জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সাবরেজিস্ট্রার পরিতোষ কুমার দাসের বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়।

পেকুয়া থানার ওসি জিয়া মোহাম্মদ মোস্তাফিজ ভূইয়া বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে থানা পুলিশের সহায়তা চাইলে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়। ’

তিন গরু চোর আটক, পিটুনি

এদিকে চকরিয়ায় চোরাই দুটি গরুসহ তিনজনকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আটক তিনজনই পেশাদার গরু চোর। তারা দীর্ঘদিন ধরে চকরিয়া, পেকুয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু চুরি করে আসছিল। মঙ্গলবার রাতে তিনজনকে চকরিয়া থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন হারবাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন গরুর মালিক। আটক গরুচোর সিন্ডিকেটের তিন সদস্য হলো হারবাং ইউনিয়নের কালাসিকদার পাড়ার হানে আলম ওরফে তাম্বলু, একই ইউনিয়নের মছনিয়া কাটা এলাকার মো. আইয়ুব ও গোদার পাড়া এলাকার জিয়াবুদ্দিন।


মন্তব্য