kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


স্যানিটারি ইন্সপেক্টরশিপ ডিপ্লোমাধারীদের অভিযোগ

সনদ নিয়েও পদোন্নতি ও মর্যাদা পাচ্ছেন না ২২শ স্বাস্থ্য সহকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



স্যানিটারি ইন্সপেক্টরশিপ ডিপ্লোমা সনদ অর্জন করেও দুই হাজারের বেশি সরকারি স্বাস্থ্য সহকারী স্যানিটারি ইন্সপেক্টর হতে পারছেন না। পদ নেই, এর পরও বছর বছর স্যানিটারি ইন্সপেক্টরশিপ ডিপ্লোমা সনদ দিয়ে যাচ্ছে সরকার।

স্যানিটারি ইন্সপেক্টরশিপ ডিপ্লোমাধারী স্বাস্থ্য সহকারীরা এসব নিয়ে ক্ষুব্ধ। গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলন করেন তাঁরা। স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের পদসংখ্যা বাড়িয়ে তাঁদের উন্নতি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

‘স্যানিটারি ইন্সপেক্টরশিপ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর ব্যানারে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে বলা হয়, দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে সরকার ডিপ্লোমা ইন মেডিক্যাল টেকনোলজি (স্যানিটারি ইন্সপেক্টরশিপ) চালু করে। সরকারের স্বাস্থ্য সহকারীদের মধ্য থেকে প্রতিবছর ৩৫০ জন এ কোর্স সম্পন্ন করেন। এ হিসাবে গত ছয় বছরে মোট দুই হাজার ২০০ জন নিজ খরচে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। কিন্তু কাউকে পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেডে (ডিপ্লোমা স্কেল) বেতন দেওয়া হচ্ছে না। অথচ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যান্য পদের ডিপ্লোমাধারী কর্মচারীরা ডিপ্লোমা গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। এটি অমানবিক, বৈষম্যমূলক আচরণ।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মো. খছরু চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান, আবু ফাত্তাহ জুনায়েদ আহমদ, গোলাম সরওয়ার, মো. মোমেনূর রহমান খান, সুরেশ চাকমা, আহসান হাবিব জিলানী জুয়েল, বাসুদেব কুমার মল্লিক, মানিক জামান, মঞ্জুর রশীদ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, স্বাস্থ্য বিভাগের ৪০ হাজার প্রিভেন্টিভ স্বাস্থ্যকর্মী ১৯৭৭ সাল থেকে বেতন ও পেশাগত বৈষম্যের শিকার। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ক্ষমতাসীন সরকার ১৯৭৩ সালে প্রণীত বেতন স্কেল বাতিল করে। প্রিভেন্টিভ স্বাস্থ্যকর্মীরা বৈষম্যের মধ্যে পড়েন, যা এখনো অব্যাহত আছে। বঙ্গবন্ধু সরকারের বেতন কাঠামোর ধারাবাহিতায় হারানো মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

আয়োজক নেতারা বলেন, মেডিক্যাল তথা চিকিৎসাবিষয়ক হওয়া সত্ত্বেও ১৯৮৫ সালের পর থেকে নিয়োগ বিধিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ‘ননক্লিনিক্যাল’ না বলে ‘ননমেডিকেল’ বলা হচ্ছে। ১৮৮০ সালের ভ্যাকসিনেশন আইন অনুসারে তাঁরা পাবলিক ভ্যাকসিনেটরের প্রাপ্য মর্যাদা থেকেও বঞ্চিত।


মন্তব্য