kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহানের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়।

গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আকতার জাহান আত্মহত্যা করেননি, তাঁকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর জীবন থেকে হাসি, আনন্দ, ভালোবাসা, সৌন্দর্য কেড়ে নিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে তিনি জীবনমৃত হয়ে বেঁচে ছিলেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর তাঁর যে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তা কেবল মৃত্যুর আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। আন্দোলনকারীরা আকতার জাহানের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্ররোচনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবন থেকে আকতার জাহানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরে ওই দিন রাতে জুবেরীর ওই কক্ষ থেকে আকতার জাহানের লেখা চিরকুট উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানে বলা হয়, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। শারীরিক ও মানসিক চাপের কারণে আমি আত্মহত্যা করলাম। সোয়াদকে যেন তার বাবা কোনোভাবেই নিজের হেফাজতে নিতে না পারে। যে বাবা সন্তানের গলায় ছুরি ধরতে পারে, সে যেকোনো সময় সন্তানকে মেরেও ফেলতে পারে বা মরতে বাধ্য করতে পারে। আমার মৃতদেহ ঢাকায় না নিয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দেওয়ার অনুরোধ করছি। ’

পুলিশ ও চিকিৎসকদের ভাষ্য, আকতার জাহানের মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বিষক্রিয়াজনিত কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।


মন্তব্য