kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার

মামলা দায়ের তদন্তে তিন কমিটি

শেরপুর প্রতিনিধি   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল রাকিবুল হাসানের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটনে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিনটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), র‍্যাব ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পৃথকভাবে ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাকিবের লাশ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার শৈলকুড়িয়া গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগে সোমবার রাতে শেরপুর পুলিশ লাইনস মাঠে প্রথম জানাজা হয়। ওই দিন রাতেই রাকিবের বাবা মো. শাহজাহান মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

শেরপুর সদর থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, রাকিবের মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটিত না হওয়া পর্যন্ত সার্বক্ষণিক তিন কমিটি তদন্ত কাজ করবে। এ ছাড়া সিআইডি, র‍্যাব ও পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা পৃথকভাবে ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করছে।

ওসি জানান, ময়মনসিংহ পুলিশ রেঞ্জের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক ড. মো. আক্কাছ উদ্দিন ভূঁইয়া কনস্টেবল রাকিবের লাশ উদ্ধারের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সদর থানায় বৈঠক করে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও তদন্তের ক্ষেত্রে সহায়ক কিছু নির্দেশনাও দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৭টার দিকে শেরপুর পুলিশ লাইনসের কনস্টেবল রাকিবুল হাসানের লাশ পুলিশ লাইনসের অদূরে শহরের পূর্বশেরি মহল্লার বাটারাঘাট রাস্তার পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর মাথায় ও পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ও একপাশে ঝলসানোর ক্ষত ছিল।

পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা যায়, এক বছর হয়নি কনস্টেবল রাকিবুল পুলিশে যোগদান করেছেন। এখানে তাঁর কারো সঙ্গে শত্রুতার বিষয়ও প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়নি।


মন্তব্য