kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সীমান্তে যৌথ টহলে সুফল মিলছে

গৌরাঙ্গ নন্দী, সাতক্ষীরার থেকে ফিরে   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



সাতক্ষীরার হাড়দ্দায় তীব্র ভাঙনে প্রায় ধনুকের মতো চেহারা নিয়েছে ইছামতি নদীর পূর্বপাড়। এখানেই নদীতীরে একটি সীমানা পিলার জোয়ারের পানিতে প্রায় ডুবু ডুবু অবস্থা।

এটাই ১ নম্বর সীমানা। এরপর থেকেই ইছামতির পূর্বপাড় বাঁধানো, ভাঙনের লেশমাত্র নেই। নদীটি সোজা চলে গেছে, দেশের সীমানা চলে গেছে বসতি চিরে। এখান থেকেই বাংলাদেশ-ভারতের স্থল সীমান্ত শুরু। স্থানটি ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাটের পানিতর। কিছুদূর গেলেই চোখে পড়ে কাঁটাতার, সীমান্তের বিভাজন।

হাড়দ্দা ও পানিতর পাশাপাশি গ্রাম। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানাও। পানিতর গ্রামের মাসুরা গাজীর ঘর ভারতে। তিনি খাবার পানি নেন বাংলাদেশের হাড়দ্দা গ্রাম থেকে। প্রকৃতপক্ষে এখানকার পাশাপাশি ঘর একটি ভারতে, অন্যটি বাংলাদেশে। তালগাছের গোড়া ভারতের অংশে, আর তাল পড়ে বাংলাদেশের ভূমিতে। বুঝিয়ে না দিলে বোঝার উপায় নেই, এখানেই বাংলাদেশ-ভারতের স্থল সীমানা শুরু। ১৯৪৭-এ দেশ বিভাগের পর থেকে এভাবেই পাশাপাশি আছে দুই দেশের নাগরিকরা। সামান্য দূরে বাংলাদেশ অংশে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা টহল দেন, তেমনি ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সও (বিএসএফ) টহল দেয়। সম্প্রতি শুরু হয়েছে যৌথ টহল।

 


মন্তব্য