kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নারায়ণগঞ্জে নাট্যকার চঞ্চল হত্যা মামলা

পুনঃ তদন্তের পর প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ আদালতের

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জে তরুণ নাট্যকার দিদারুল ইসলাম চঞ্চল হত্যা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আবারও তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার দত্তের আদালত নিহতের মা মামলার বাদী খালেদা আক্তার রুবিনার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দেন।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন রুবিনা। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. শাহ আলম কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নারাজি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১২ সালের ১৯ জুলাই বন্দর থানা পুলিশের এসআই গোলজার হোসেন নাট্যকার দিদারুল ইসলাম চঞ্চল নিহতের ঘটনায় মামলা করেন। কিন্তু নিহতের মা সন্দেহভাজনদের নাম বলা সত্ত্বেও তাদের গ্রেপ্তার, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়নি। পরে একই বছরের ১৪ আগস্ট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কাজী মেহেদী হাসান রুহিত, রাশেদ, রাকিব, শফিউল্লাহ শফি ও মিম প্রধানকে আসামি করে মামলা করেন। আদালত মামলা আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুজনকে গ্রেপ্তার করলেও অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার বা জিজ্ঞাসাবাদ করেননি। এমনকি কোথায়, কে চঞ্চলকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে, তাও চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর নাট্যকার দিদারুল ইসলাম চঞ্চল হত্যা মামলায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযুক্তরা হলো চঞ্চলের বন্ধু মেহেদি হাসান রুহিত, মিম প্রধান, রাকিব, রাশেদ ও শফি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আবুল হাশেম ওই চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১২ সালের ১৬ জুলাই গভীর রাতে বাসা থেকে বের হন চঞ্চল। পরে নদী থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

বিএনপির সাবেক এমপিসহ

অর্ধশত নেতাকর্মীর জামিন

নারায়ণগঞ্জে একটি নাশকতার মামলায় বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আবুুল কালামসহ দলের বিভিন্ন স্তরের অর্ধশত নেতাকর্মী জামিন পেয়েছেন। গতকাল রবিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে আসামিরা উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট নবী হোসেন, অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য