kalerkantho


ঘরোয়া চিকিৎসাতেই সুস্থ

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ঘরোয়া চিকিৎসাতেই সুস্থ

১. সর্দিজ্বরে মুরগির স্যুপ : সর্দিজ্বরে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা মুরগির স্যুপ শুধু আরামই দেয় না, এটি আরোগ্য লাভেও সহায়ক হতে পারে। মুরগির স্যুপ গলা ব্যথা ও জ্বরের অন্যান্য যন্ত্রণা উপশম করতে পারে।

এটি অসুস্থ দেহে পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়ক। জ্বরের পর দ্রুত দেহের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে খুবই কার্যকর এই স্যুপ। এ ছাড়া এটি দেহের রোগ প্রতিরোধের জন্য কাজ করা শ্বেত রক্তকণাকেও সহায়তা করে।

২. হজমের জন্য খনিজ লবণ : পেট ব্যথা সারাতে রক সল্ট বা খনিজ লবণ কার্যকর। এতে প্রচুর প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান রয়েছে, যা হজমে সহায়ক। আর এটি যদি লেবুর রসের সঙ্গে সেবন করা হয় তাহলে হজমশক্তি বাড়াতে পারে। এটি ক্ষেত্রবিশেষে পেট ব্যথাও দূর করতে পারে।

৩. সুস্থ থাকতে হলুদ-দুধ : দুধের মাঝে সামান্য হলুদ মিশিয়ে পান করা যায়। এটি নানাভাবে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।

দুধের সঙ্গে হলুদ খুব ভালোভাবে মিশে যায়। দুধে প্রোটিন ও নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। অন্যদিকে হলুদের রয়েছে আরোগ্য ক্ষমতা। বিশেষত মাংসপেশি, ত্বক ও হজমের সমস্যা দূর করতে হলুদ কার্যকর। নানা ধরনের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়তে সহায়তা করে হলুদ। এ ছাড়া এটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হলুদ-দুধ পান করলে তা নানা রোগ থেকে মুক্ত থাকতে সহায়তা করবে।

৪. শিশুর জন্য সরিষার তেল : শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং সুস্থ হাড় গঠনে সরিষার তেল কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরিষার তেলকে উষ্ণ তেল বলা হয়। শিশুর ঠাণ্ডা সমস্যায় এটি আরাম দেয়। এটি শিশুর দেহের ঘর্মগ্রন্থিগুলো খুলে দেয় এবং ত্বককে নমনীয় ও কোমল করে। শিশুকে সরিষার তেল ব্যবহার করে মালিশ করলে তা রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। এর কড়া গন্ধ শিশুকে পোকামাকড় ও মশা থেকে কিছুটা হলেও দূরে রাখে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একেবারে ছোট শিশুকে সরিষার তেল মালিশ করা যাবে না। তার এক বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

৫. ঠাণ্ডা সমস্যায় মধু ও আদা : সর্দিকাশি কিংবা ঠাণ্ডা সমস্যায় আদা ও মধু খুবই কার্যকর। আদা পানিতে সিদ্ধ করে তাতে সামান্য মধু দিয়ে সেবন করা যেতে পারে। এটি গলার ঠাণ্ডা সমস্যা দূর করে। এ ছাড়া এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও বটে। আদা ও মধু গলা ব্যথা ও ফুলে যাওয়া উপশম করে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য