kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কাওড়াকান্দি ঘাটে গাড়ি শিমুলিয়ায় যাত্রীর চাপ

মাদারীপুর ও মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কাওড়াকান্দি ঘাটে গাড়ি শিমুলিয়ায় যাত্রীর চাপ

ঈদ শেষে কর্মস্থল ঢাকায় ফেরার পথেও ফেরিঘাটে আটকা পড়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গতকাল শনিবার মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ঘাটে পদ্মা নদী পার হওয়ার অপেক্ষায় থাকা গাড়ির প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

অন্যদিকে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে দেখা গেছে ঢাকাগামী যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়। নদী পার হয়ে আসা যাত্রীরা ঢাকামুখী বাসে ওঠার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে। আসন না পেয়ে দাঁড়িয়ে এবং ছাদেও ওঠে যাত্রীরা।

ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের সড়কপথের গুরুত্বপূর্ণ ফেরিঘাট শিমুলিয়া ও কাওড়াকান্দি। এবারের ঈদযাত্রায়ও এ ঘাটে দুর্ভোগের শিকার হয় যাত্রীরা।

কাওড়াকান্দি ঘাট : গতকাল দুপুরের দিকে নদী পারাপারের অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে প্রায় সাত শতাধিক যানবাহন। এতে করে ঘাট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাচ্চর পর্যন্ত বিস্তৃত হয় গাড়ির সারি। দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীরা কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করায় গতকাল সকাল থেকে কাওড়াকান্দি ঘাটে যানবাহন ও মানুষের চাপ বাড়ে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাট এলাকায় বাড়তে থাকে যানজট ও দুর্ভোগ। যত্রতত্র যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে যানজট সৃষ্টি হয়। যানবাহন আটকা পড়ায় যাত্রীরা পায়ে হেঁটে ঘাটে আসে এবং ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোটে করে নদী পার হয়। এতে করে নারী ও শিশুরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ জানান, প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে যাত্রীদের ভোগান্তি কমিয়ে নিরাপদে নদী পার করে দিতে। সার্বক্ষণিক যাত্রীদের সেবায় পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন নিয়োজিত রয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিমুলিয়া ঘাট : গতকাল সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের প্রচুর চাপ। দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা অনেক যাত্রী সিবোট, লঞ্চ ও ফেরিতে পদ্মা পার হয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসে। এখান থেকে ওঠেন ঢাকাগামী বাসে। সে কারণে বাসের আসন পেতে হুড়োহুড়ি করতে দেখা গেছে যাত্রীদের। অনেকেই আসন না পেয়ে গাদাগাদি করে বাসের ভেতরে দাঁড়িয়ে বা ছাদে ওঠে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য।

এই সুযোগে বাস মালিকরা ভাড়া বাড়িয়ে দেন। ঢাকার ভাড়া ৭০ টাকা হলেও যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হয় ১০০ টাকা করে।

এ ব্যাপারে বাস মালিক কর্তৃপক্ষের কেউ কথা বলতে চায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বাস মালিক জানান, ঢাকা থেকে শিমুলিয়া ঘাট পর্যন্ত বাস প্রায় যাত্রীশূন্য অবস্থায় আসছে। তাই কিছুটা পুষিয়ে নিতে এ অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।


মন্তব্য