kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ফ্রেজার ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে ছয় ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে ছয় ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১৫৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২১।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও ভারত। সূচক নির্ধারণী প্রায় প্রতিটি ক্যাটাগরিতেই বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। সূচকে শীর্ষ দেশ হচ্ছে হংকং এবং সবচেয়ে নিচে অবস্থানকারী দেশের নাম ভেনিজুয়েলা। কানাডাভিত্তিক থিংকট্যাংক ফ্রেজার ইনস্টিটিউট গতকাল শুক্রবার এ সূচক প্রকাশ করে। সংস্থাটির ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক স্বাধীনতা : ২০১৬ বার্ষিক প্রতিবেদন’-এ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক তুলে ধরা হয়। ২০১৪ সালের তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে এ সূচক তৈরি করা হয়।

এবারের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষ ১০টি দেশ হলো—হংকং (১), সিঙ্গাপুর (২), নিউজিল্যান্ড (৩), সুইজারল্যান্ড (৪), কানাডা (৫), জর্জিয়া (৬), আয়ারল্যান্ড (৭), মৌরিতাস (৮), আরব আমিরাত ও অস্ট্রেলিয়া (৯) ও যুক্তরাজ্য (১০)।

সূচকে সবচেয়ে নিচে অবস্থানকারী ১০টি দেশ হলো—ইরান (১৫০), আলজেরিয়া (১৫১), চাদ (১৫২), গিনি (১৫৩), অ্যাঙ্গোলা (১৫৪), মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র (১৫৫), আর্জেন্টিনা (১৫৬), কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (১৫৭), লিবিয়া (১৫৮) ও ভেনিজুয়েলা (১৫৯)। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ১৬, জার্মানি ৩০, জাপান ৪০, ফ্রান্স ৫৭ ও রাশিয়া ১০২তম। মূলত সরকারের আকার, আইনি কাঠামো ও সম্পত্তির অধিকার, স্থিতিশীল মুদ্রা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য স্বাধীনতা এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা—এই পাঁচটি ক্যাটাগরির ওপর ভিত্তি করে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক তৈরি করা হয়। এতে দেখা গেছে, ক্যাটাগরিভিত্তিক বাংলাদেশের বৈশ্বিক অবস্থান হচ্ছে আইনি কাঠামো ও সম্পত্তির অধিকারে ১৫৭তম, স্থিতিশীল মুদ্রায় ১২১তম, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য স্বাধীনতায় ১৩৫তম, এবং আর্থিক নিয়ন্ত্রণে গড়ে ৮৬তম।

প্রতিবেদনের তথ্য  অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকা দেশগুলো হচ্ছে—ভুটান ৭৮, নেপাল ১০৮, শ্রীলঙ্কা ১১১ ও ভারত ১১২তম। চীনের অবস্থান ১১৩ ও পাকিস্তানের অবস্থান ১৩৭। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে দ্য হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এবং ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল প্রকাশিত স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ ছয় ধাপ পিছিয়ে ১৩৭তম অবস্থানে চলে গিয়েছিল।


মন্তব্য