kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত

সাড়ে ১০ ঘণ্টা বন্ধ ছিল চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ঢাকাগামী আন্তনগর ট্রেন মহানগর গোধূলীর চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে ঈদুল আজহার পরদিন চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ সাড়ে ১০ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নগরের পাহাড়তলী স্টেশনের কাছে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় পেছনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

১৭ বগির মধ্যে চারটি লাইনচ্যুত এবং একটি বগির জোড়া খুলতে না পারায় ১২ বগি নিয়ে ওই ট্রেন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আর দুটি লাইনেই (আপ ও ডাউন) বগিগুলো পড়ে থাকায় বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা ও সিলেটের সঙ্গে চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগ। পরে দুর্ঘটনাকবলিত বগি রেললাইন থেকে সরানো হলে বুধবার রাত ১টা ৪০ মিনিটে ট্রেন চলাচল শুরু হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।  

দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধের কারণে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন পথে আটকে পড়া ট্রেনের যাত্রীরা অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হয়। এর মধ্যে বেশির ভাগ ট্রেন গড়ে তিন থেকে ছয় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে। কয়েকটি ট্রেন ৮-১০ ঘণ্টাও বিলম্বে পৌঁছে। চট্টগ্রাম থেকে ময়মনসিংহগামী মেইল ট্রেন নাসিরাবাদ এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হলেও অন্য ট্রেনগুলো বিলম্বে গন্তব্যে পৌঁছে বলে রেল কর্মকর্তারা জানান।

এর আগে ওই দিন সকালে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট স্টেশনের কাছে একটি মালবাহী ট্রেন (কনটেইনারবাহী ট্রেন) দুর্ঘটনার শিকার হওয়ায় ঢাকা ও সিলেটমুখী ‘আপ লাইন’ বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে দুই দুর্ঘটনা তদন্তে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মো. মিয়াজাহানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করেছে রেলওয়ে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ, চিফ সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ার চন্দন কান্তি দাশ এবং অপর এক কর্মকর্তাকে ওই কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

পূর্বাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. আবদুল হাই গতকাল বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য