kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ঢাকার দুই মেয়র জানালেন

নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্জ্য অপসারণ হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্জ্য অপসারণ হয়েছে

ঈদের দিন ধোলাইখাল এলাকায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন। ছবি : কালের কণ্ঠ

পূর্বনির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার আগেই কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকার (উত্তর ও দক্ষিণ) দুই মেয়র। ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক ও দক্ষিণের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন জানান, ২৫ থেকে ৩০ ঘণ্টার মধ্যেই নিজ নিজ সিটি এলাকার বর্জ্য অপসারণ হয়েছে।

এর পুরো কৃতিত্ব নগরবাসীর।

গতকাল বৃহস্পতিবার দক্ষিণ নগর ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের সাঈদ খোকন বলেন, ‘এ বছর ১৯ হাজার আট টন বর্জ্য সরানো হয়েছে। নগরবাসীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় এটা সম্ভব হয়েছে। ’

ঈদের দিন নগরজুড়ে বৃষ্টির পানি আর পশুর রক্ত মিশ্রিত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মেয়র দায় স্বীকার করে বলেন, রাজধানীর শান্তিনগর, মালিবাগ, রাজারবাগ ও পুরান ঢাকার কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে মানুষ দুর্ভোগের শিকার হন। আগামী বছর এসব মাথায় রেখে কাজ করা হবে।

উত্তর সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে আনিসুল হক বলেন, ‘৪৮ ঘণ্টার আগেই উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ হয়েছে। মাত্র ২৫ থেকে ৩০ ঘণ্টার মধ্যেই আমাদের প্রায় সব কাজ শেষ হয়েছে। ’ তিনি বলেন, ‘এ বছর উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় এক লাখ ৯৭ হাজার ৫৩৫টি পশু কোরবানি হয়েছে। এসব পশু থেকে এখন পর্যন্ত উৎপাদিত সাত হাজার ৮০০ টন বর্জ্য অপসারণ করেছি। নগরীতে আর কোনো কোরবানির পশুর বর্জ্য নেই। ’ এ বছর বর্জ্য অপসারণ কাজে তিন হাজার ৪৮০ জন কর্মী নিয়োজিত ছিল বলে তিনি  জানান।

কোরবানি দেওয়ার নির্ধারিত স্থান প্রসঙ্গে আনিসুল হক বলেন, এ বিষয়ে নগরবাসীকে আরো উদ্বুদ্ধ করা হবে। ভবিষ্যতে কসাইখানাগুলোতে কোরবানি নিয়ে আসা হবে। নগরবাসী এখন অনেক সচেতন।


মন্তব্য