kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


১০ দিন জাহাজে ঘুরে ফেরত এলো ৯০০ টন পণ্য

আসিফ সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



তৈরি পোশাক শিল্পের প্রায় ৯০০ টন রপ্তানি পণ্য ১০ দিন জাহাজে ঘোরার পর আবার চট্টগ্রাম বন্দরে ফেরত এসেছে। পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ কোরিয়ার হ্যানজিন শিপিং কম্পানি দেউলিয়া হওয়ার কারণে এসব পণ্য ফেরত এসেছে।

এসব পণ্য নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে রপ্তানিকারকরা বিপাকে পড়েছেন। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তাঁরা।

রপ্তানিকারকরা জানান, ৭৩ একক কনটেইনারে প্রায় ৯০০ টন পণ্য নিয়ে গত ৩১ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দর থেকে শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় ‘ওইএল মালয়েশিয়া’ নামের জাহাজটি। উদ্দেশ্য কলম্বো বন্দর থেকে বড় জাহাজে করে সেগুলো বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট গন্তব্যে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছানো। জাহাজটি কলম্বো বন্দরে পৌঁছলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জাহাজে থাকা অন্য সব পণ্য নামানোর সুযোগ দেয়। কারণ জাহাজটি হ্যানজিন শিপিং কম্পানির নয়। কিন্তু তৈরি পোশাক পণ্যের ওই ৭৩টি একক কনটেইনার জাহাজ থেকে নামাতে দেয়নি। কারণ কনটেইনারগুলোর মালিক গত সপ্তাহে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার হ্যানজিন শিপিং কম্পানি। ‘ওইএল মালয়েশিয়া’ জাহাজের পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ অনেক চেষ্টা করেও পণ্য জাহাজ থেকে নামানোর অনুমতি পায়নি। সে কারণে পণ্যসহ জাহাজটি ফেরত আনা হয় চট্টগ্রাম বন্দরে। গতকাল শনিবার জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছে।

ওইএল মালয়েশিয়া জাহাজের স্থানীয় এজেন্ট জিবিএক্সের মহাব্যবস্থাপক মেজবাহুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রপ্তানিকারকদের স্বার্থে কনটেইনার ভর্তি পণ্যগুলো জাহাজ থেকে নামিয়ে নির্দিষ্ট বেসরকারি কনটেইনার ডিপোতে পাঠিয়ে দেব। আর পণ্য পরিবহনে জাহাজের মাসুল হিসাব করে রাখব। পরে হ্যানজিন কম্পানি সচল হলে সেগুলো আদায়ে চেষ্টা চালাব। ’

জানা গেছে, এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর হ্যানজিন শিপিং কম্পানির দুটি জাহাজ পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসার পর সেগুলো আটক করে রাখে বন্দর কর্তৃপক্ষ। পরে আমদানিকারকদের স্বার্থে জাহাজ থেকে পণ্যগুলো নামিয়ে রাখলেও ‘হ্যানজিন হোচিমিন’ ও ‘এফএসএল ইউরোপা’ নামের জাহাজ দুটিকে আর যেতে দেওয়া হয়নি। তবে সেই জাহাজ দুটিতে খালি কনটেইনার উঠিয়ে দেওয়া হয়। এখন জাহাজ দুটি বহির্নোঙরে আটক রয়েছে।


মন্তব্য