kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নাগরিক স্মরণসভা

শহীদ কাদরীর অস্তিত্ব জুড়ে ছিল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



শহীদ কাদরীর অস্তিত্ব জুড়ে ছিল বাংলাদেশ

কবি শহীদ কাদরী তাঁর লেখনীর মধ্য দিয়েই বেঁচে থাকবেন। বাংলা কবিতায় তিনি যে নতুন ধারার প্রচলন করেছিলেন, তা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনরা।

তাঁরা বলছেন, নিউ ইয়র্কে প্রবাসজীবন কাটালেও শহীদ কাদরীর অস্তিত্বজুড়ে সব সময় ছিল বাংলাদেশ।

গতকাল বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এক নাগরিক স্মরণসভায় বিশিষ্টজনরা এসব কথা বলেন। শহীদ কাদরীর মৃত্যুতে বাংলা একাডেমি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ যৌথভাবে এ স্মরণসভার আয়োজন করে।

বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মুহম্মদ সামাদ, অনুবাদক ও লেখক মফিদুল হক, কবি রুবী রহমান, কবি ও অনুবাদক কায়সার হক, কবি কাজী রোজী, কবি ও অনুবাদক নাজমুন নেসা পিয়ারি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল ও কবির স্ত্রী নীরা কাদরী।

নীরা কাদরী বলেন, “শহীদ কাদরীর ভাবনায়, লেখায়, অস্তিত্বজুড়ে ছিল বাংলাদেশ। তিনি নিউ ইয়র্কে বসবাস করলেও সব কিছুতে বাংলাদেশকে খুঁজতেন। দেশের কোনো তরুণের সঙ্গে দেখা হলে, কথা হলে হাত ধরে বলতেন আমি বাংলাদেশেরই হাত ধরে আছি। শুধু বাংলাদেশের কবিদের কবিতা পড়ার জন্য তিনি সেখানে ‘একটি কবিতা সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানের চালু করেছিলেন। ”

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘শহীদ কাদরী নেই, আছে তাঁর কবিতা। লেখার মধ্য দিয়ে সব সময় তিনি থাকবেন। ’  শহীদ কাদরীর কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন অধ্যাপক ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ‘অভিবাদন শহীদ কাদরী’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বইটি সম্পাদনা করেছেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।


মন্তব্য