kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নওগাঁ ও সাতক্ষীরা

সীমান্তে আসছে ভারতীয় গরু

নওগাঁ ও সাতক্ষীরা প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ঈদ সামনে রেখে নওগাঁর সাপাহার ও সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে চোরাইপথে আসছে ভারতীয় গরু। নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ঝুঁকি নিয়ে এসব গরু আনছে চোরাকারবারিরা।

মঙ্গলবার রাতেও সাপাহার সীমান্ত দিয়ে শত শত গরু প্রবেশ করেছে। এই নিয়ে দেশের খামারিরা দুশ্চিন্তায় পড়েছে। তারা বলছে, এভাবে গরু আসা বন্ধ না হলে তাদের লাভের বদলে লোকসান গুনতে হবে।

জানা যায়, গতকাল দুপুরে সাপাহার আদাতলা সীমান্তে বিজিবি ক্যাম্পের অদূরে ভারতীয় গরু নিয়ে রাখালদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। রাতে আরো ৩০০ গরু বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গরু ব্যবসায়ীরা জানায়, গরুগুলো পাচার করতে দালালকে তিন-চার গুণ বেশি টাকা দিতে হচ্ছে তাদের।

তবে এ বিষয়ে জানতে ১৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী রেজার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরা সীমান্তে গয়ড়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ীরা জানায়, দুই-তিন দিন ধরে ভারত থেকে গরু আসছে। ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার বশিরহাট থেকে গরু আনা হচ্ছে। তবে সীমান্তে গরু পার করে দিতে ভারতীয় রাখালদের বেশি টাকা দিতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাতক্ষীরার ১৩৮ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বৈধ-অবৈধ মিলে ৪৯ জন খাটাল মালিক আছে। গরু ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে গরু এনে এসব খাটালে জমা করে। সেখান থেকে ব্যাপারীরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার গরু চালান দেয়।

বরগুনার গরু ব্যবসায়ী জাফর ও কুমিল্লার আমিন উদ্দীন গতকাল জানান, ভারতীয় গরু নিতে তাঁরা খাটালে এসেছেন। গত দুই দিনে ১১৭টি ভারতীয় গরুর ঢাকায় চালান পাঠিয়েছেন।

সাতক্ষীরা ৩৮ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক মেজর ছইদ মোহাম্মদ লুকমান হামিদ জানান, সীমান্ত অপরাধ রোধে বিজিবি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। গরু নিয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবে।


মন্তব্য