kalerkantho


খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী চিলমারী যাচ্ছেন আজ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রির ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’ উদ্বোধনে আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিলমারী আসছেন। এ জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি কুড়িগ্রামজুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ। প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় একটি স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে কুড়িগ্রামে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে নির্মিত হয়েছে শতাধিক তোরণ। কেন্দ্রীয় নেতাদের তত্ত্বাবধানে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে নিয়েছেন প্রস্তুতি। প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে কুড়িগ্রাম পৌঁছবেন বলে জানা গেছে। চিলমারী উপজেলার হেলিপ্যাডে নেমে তিনি সড়কপথে থানাহাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৌঁছবেন। সেখানেই উদ্বোধন হবে হতদরিদ্রদের মধ্যে চাল বিতরণের আলোচিত কর্মসূচি।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন জানান, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির নতুন এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ইউনিয়ন পর্যায়ে হতদরিদ্রদের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি।

স্থানীয় জনপ্রতিধিদের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের নির্বাচন করা হয়েছে। ধান লাগানো ও ধান কাটার মধ্যবর্তী সময়ে যখন দিনমজুরদের হাতে কাজ থাকে না, তখনই এই কর্মসূচির সুফল পাবে হতদরিদ্র পরিবারগুলো। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এবং আগামী বছরের মার্চ ও এপ্রিল মাসে নির্ধারিত ডিলারদের কাছ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ ৩০ কেজি চাল কিনতে পারবেন কার্ডধারীরা।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলায় মোট এক লাখ ২৫ হাজার ২৭৯টি পরিবার খাদ্যবান্ধব কার্ডের মাধ্যমে সরকারের সৃজনশীল এই কর্মসূচির সুফল পাবে। চাল বিক্রির জন্য জেলায় ১২৬ জন ডিলারকে ইতিমধ্যে নিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর চিলমারী সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দীর্ঘদিনের কিছু দাবি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করছে। চিলমারী-ঢাকা আন্তনগর ট্রেন সার্ভিস চালু, চিলমারী নদীবন্দর বাস্তবায়ন, দ্বিতীয় তিস্তা সেতুতে রেললাইন চালুসহ বিভিন্ন দাবির ব্যাপারে সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।


মন্তব্য