kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কেরানীগঞ্জে বাল্যবিয়ে থেকে কিশোরীর রক্ষা

সিরাজদিখানে কনের বাবা ও ফুপার জেল

মুন্সীগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কেরানীগঞ্জ উপজেলার আটি নয়াবাজার এলাকায় বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এক কিশোরী (১৩)। আজ সোমবার একই এলাকার শফিকুলের সঙ্গে তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।

খবর পেয়ে গতকাল রবিবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কুমার সরকার কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে বিয়েটি ভেঙে দেন। এ সময় শফিকুলকে আটক করে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পুরাতন পাচদোনা সমাজকল্যাণ সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক চান মিয়া বলেন, বাবার অমতে মা জোর করে মেয়েটিকে বিয়ে দিচ্ছিলেন বলে তাঁরা জানতে পারেন। পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মেয়েটির বাড়িতে গেলে তাঁরা (অভিভাবক) বিয়ে বন্ধ করবেন না বলে জানিয়ে দেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কুমার বলেন, মেয়েটির পরিবার আটি নয়াবাজার এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকে। তার বাবা রিকশাচালক এবং মা গৃহিণী। মেয়েটির অমতে তাকে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। বাল্যবিয়ে বন্ধ করে বরকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে একটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করাসহ কনের বাবা ও ফুপাকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রবিবার আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিনা পারভীন।

আদালত সূত্র জানায়, গতকাল উত্তর পাথরঘাটে গ্রামের এক স্কুল ছাত্রীর (১৩) বিয়ের আয়োজন করেন তার বাবা। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে কনের বাবাকে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু কনের বাবা ও ফুপা বিয়ে বন্ধ করবেন না বলে ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ওই দুজনকে আটক করে পুলিশ। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের কারাদণ্ড দেন।


মন্তব্য