kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গাজীপুরে ব্যবসায়ী সাঈদ হত্যা মামলা

পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড, এক আসামির যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



গাজীপুরে ব্যবসায়ী মো. আবু সাঈদ হত্যা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম করাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার দুপুরে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ এ কে এম এনামুল হক এ রায় দেন।

রায়ে একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়াও যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলো গাজীপুর মহানগরীর ধীরাশ্রম এলাকার শাহাদাৎ আলী ওরফে ছাদুর ছেলে মো. ইয়াকুব আলী, একই এলাকার মৃত ইউনুস আলীর ছেলে মো. হান্নান ওরফে হান্নু, চাঁন মিয়ার ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু, বাদশা মিয়ার ছেলে মো. মনির ও মো. বেদন মিয়ার ছেলে মো. ইকবাল হোসেন। যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া মো. মাসুদ ওরফে মাইছ্যা একই এলাকার মো. বাচ্চু মিয়ার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে একমাত্র মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি দেলোয়ার হোসেন দেলু উপস্থিত ছিলেন। অন্যরা পলাতক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ধীরাশ্রমের বাসিন্দা আবু সাঈদ এলাকায় ইট, বালু, মাটিসহ বিভিন্ন মালামালের ঠিকাদার ছিলেন। পূর্বশত্রুতার জেরে ২০০৮ সালের ১৭ জুন রাতে আসামিরা তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাত ১১টার দিকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ফেলে যায়। এ ঘটনায় পরদিন সাঈদের বাবা মো. নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু মিয়া ইয়াকুব, দেলোয়ার, মাসুদ ও হান্নানের নাম উল্লেখ এবং আরো অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজনকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সৈয়দ আজহারুল ইসলাম তদন্ত শেষে হত্যায় জড়িত থাকায় ওই চারজন এবং মনির ও ইকবালের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রবিবার দুপুরে এই রায় দেন।


মন্তব্য