kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

নড়াইল প্রতিনিধি   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৭১ সালের এই দিনে যশোর জেলার গোয়ালহাটিতে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে শাহাদাতবরণ করেন এই অকুতোভয় সেনা।

যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাঁকে সমাহিত করা হয়। শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইলের নূর মোহাম্মদনগরে তাঁর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, কোরআনখানি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

নূর মোহাম্মদ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন (বর্তমানে নূর মোহাম্মদনগর)। বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা। বাল্যকালেই তিনি মা-বাবাকে হারান। লেখাপড়া করেন সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত।

নূর মোহাম্মদ ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর, বর্তমানে বিজিবি) যোগদান করেন। পরে তিনি ল্যান্সনায়েক পদোন্নতি পান। মুক্তিযুদ্ধে তিনি যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে অংশগ্রহণ করে যুদ্ধ করেন। ৫ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে সহযোদ্ধা নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলেও সহযোদ্ধাকে কাঁধে নিয়েই তিনি এলএমজি হাতে শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে গুলি ছোড়েন। হঠাৎ করে পাকিস্তানি বাহিনীর মর্টারের আঘাতে নূর মোহাম্মদের হাঁটু ভেঙে যায়। তবু গুলি চালান। শক্রমুক্ত করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যান।

২০০৮ সালে নূর মোহাম্মদের ‘মহিষখোলা’র নাম পরিবর্তন করে ‘নূর মোহাম্মদনগর’ করা হয়। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মাণ করা হয়েছে গ্রন্থাগার ও জাদুঘর, স্মৃতিস্তম্ভ। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ। তবে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি।


মন্তব্য