kalerkantho

শুক্রবার । ২ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কাশিমপুর কারাগারে প্রথম যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কাশিমপুর কারাগারে প্রথম যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি

মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের অংশ হলো গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার। কারণ এ কারাগারে মানবতাবিরোধী অপরাধে কারো ফাঁসি কার্যকরের ঘটনা এটাই প্রথম।

গ্রেপ্তারের পর থেকে কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২তে বন্দি ছিলেন কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও মীর কাসেম আলী। আর পার্ট-১-এ ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুজাহিদ। তাঁদের মধ্যে মীর কাসেম আলী ছাড়া বাকি পাঁচ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।

এদিকে ফাঁসি কার্যকর উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকে কাশিমপুর কারাগারের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। শনিবার সকাল থেকে ধাপে ধাপে তা আরো জোরদার হতে থাকে। বেলা যতই গড়ায়, নিরাপত্তার স্তর ততই বাড়তে থাকে। র‍্যাব, পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের কঠোর নজরদারি ছিল। সন্ধ্যার পর কারাগার এলাকায় জারি করা হয় রেড অ্যালার্ট। মোতায়েন করা হয় চার প্লাটুন বিজিবি সদস্যও।

কাশিমপুর কমপ্লেক্সে কারাগার রয়েছে চারটি। এগুলো হচ্ছে কাশিমপুর কারাগার পার্ট-১, কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২, কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার ও কাশিমপুর মহিলা কারাগার। কারাগার পার্ট-১-এ সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার আসামি সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা আরিফ ও এম এম রানা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামি মো. শাহাবুদ্দীনসহ প্রায় এগারো শর মতো বন্দি আছে। এদের মধ্যে দেড় শতাধিক ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত।

কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২তে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, রাজনৈতিক নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ দেড় হাজারের বেশি বন্দি আছেন। তাদের মধ্যে এক শরও বেশি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত।

হাই সিকিউরিটিতে আছেন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ উনিশ শর বেশি বন্দি। তাদের মধ্যে পাঁচ শর বেশি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত। মহিলা কারাগারে আছেন তিন শর বেশি, যাদের মধ্যে ৫০ জনের মতো ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।


মন্তব্য