kalerkantho


চট্টগ্রামের হালদা নদীকে জাতীয় নদী ঘোষণার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



চট্টগ্রামের হালদা নদীকে জাতীয় নদী ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন হালদা বিশেষজ্ঞ ড. মনজুরুল কিবরিয়া। গতকাল শুক্রবার সকালে ‘হালদা নদীর বর্তমান প্রেক্ষাপট এবং করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি জানান।

বেসরকারি ইস্ট ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সিকান্দার খানের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় মত্স্যজীবী ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীকে হালদা রক্ষায় ভূমিকার জন্য সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

আলোচনা করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামসুল হক হায়দারী, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের কর্মকর্তা খোরশেদ আলম, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, অধ্যাপক আবু নোমান, শিকারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হালদা রক্ষা কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া। তিনি বলেন, ‘হালদার মহাবিপর্যয়ের বছর ২০১৬। এবার মাছ ডিম ছাড়েনি। এটি হালদাপারের মানুষের জন্য বেদনার। দেশের জন্য দুর্ভাগ্যের।

হালদার মাছ বছরে ৮০০ কোটি টাকা জোগান দেয়। এ নদী চট্টগ্রামের লাইফলাইন। এ নগরের ৬৫ লাখ মানুষের পানি সংগ্রহ হয় হালদা থেকে। বিশ্বের বিপন্ন প্রজাতির ডলফিন এ নদীতেই আছে। ’ মূল প্রবন্ধে বলা হয়, দূষণের কারণে শুধু পানি দূষিত হচ্ছে না; জনজীবন, পরিবেশ-প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য বিপর্যস্ত। নদীর প্রাণ পানিপ্রবাহ। মদুনাঘাটে দুটি সেতুর কারণে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নদীর উজানে বাঁক সোজাকরণ, নদীর পার দখল, তামাক চাষের বিষাক্ত পানি, কৃষি জমি ও চা বাগানের কীটনাশক থেকে হালদাকে বাঁচাতে হবে।


মন্তব্য