kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চার ঘণ্টায় আটক ১

গাইবান্ধার চরে যৌথ বাহিনীর ফের অভিযান

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে আবার জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত এই অভিযান চালানো হয়।

এই অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি আবদুল মজিদ (৪৬) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। মজিদ ওই উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামের জয়েন ব্যাপারীর ছেলে।

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁ ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদ জামাতের কাছে জঙ্গি হামলার পর গত ১৮ জুলাই বগুড়ার চরাঞ্চলে অভিযানে নামে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির যৌথ দল। জঙ্গি আস্তানা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের খোঁজে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনার চর ও ধুনটে ১১ ঘণ্টা অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তিনটি চাপাতি, তিনটি চাকু ও ৯টি জিহাদবিষয়ক বই ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি তখন।

এরপর যৌথ বাহিনীর অভিযান চলে গাইবান্ধার বিভিন্ন এলাকায় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার চরাঞ্চলে। এরপর মানিকগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জে পদ্মা-যমুনা এবং রাজশাহীতে পদ্মার চরাঞ্চলে চলে এই অভিযান।

গত ২২ জুলাই গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ওই দুটি নদীর চরাঞ্চলে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। ওই অভিযানে কাউকে আটক করা যায়নি। উদ্ধার করা হয় সাতটি দেশীয় অস্ত্র। এর আগে ১৯ জুলাই সাঘাটায় অভিযান চালিয়ে দুটি ছোরা উদ্ধার করা হয়। এরপর ২৯ আগস্ট গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলে অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে এক কুখ্যাত ডাকাত সর্দার ধরা পড়ে।

গতকাল গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসফিকুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযান সম্পর্কে ফুলছড়ি থানার ওসি মো. খায়রুল বাশার জানান, যৌথ বাহিনী ব্রহ্মপুত্র নদের খঞ্চাপাড়া, বাগবাড়ী ও দেলুয়াবাড়ীর চর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মজিদকে আটক করা হয়। তবে কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ওসি আরো জানান, আটক মজিদের বিরুদ্ধে ফুলছড়ি থানায় ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।


মন্তব্য