kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আইসিসিবিতে প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিন

টেক্সটেক এক্সপোতে বিপুল ক্রেতা দর্শনার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



টেক্সটেক এক্সপোতে বিপুল ক্রেতা দর্শনার্থী

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় চলছে পোশাক প্রদর্শনী। ছবিটি গতকাল তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশি-বিদেশি ক্রেতা-বিক্রেতা আর দর্শনার্থীর ভিড়ে জমজমাট হয়ে উঠেছে দেশের বস্ত্র খাতের বড় প্রদর্শনী টেক্সটেক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো। মেলার দ্বিতীয় দিন গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ‘১৭তম টেক্সটেক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো-২০১৬’ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

চার দিনব্যাপী এ এক্সপোর আয়োজন করেছে কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড-সেমস গ্লোবাল। মেলায় ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশের নামকরা গার্মেন্টে ব্যবহৃত পণ্য উত্পাদনকারী কম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা ও ভোক্তাদের কাছে তাদের পণ্যের গুণগত মান তুলে ধরা হচ্ছে। পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা পণ্যের দাম, সরবরাহ সুবিধাসহ বিভিন্ন বিষয় জেনে নিচ্ছে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী চীনের টেক্সটাইল খাতের একটি কম্পানি সুজু ডিসেং ওয়েভিং অ্যান্ড ফিনিশিং কম্পানি লিমিটেড। এর সেলস ডিরেক্টর ম্যাগিমা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাংলাদেশ গার্মেন্ট পণ্য প্রদর্শনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা স্থান। এখানকার পোশাকশিল্প আন্তর্জাতিক মানের। প্রদর্শনীর প্রথম দিন থেকেই ক্রেতা-দর্শনার্থীদের বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। পোশাক খাতের অনেক মালিক এসেছেন, যাঁদের সঙ্গে আমাদের পণ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করি, প্রদর্শনী শেষে ভালো ফলাফল পাব। ’

মেলা দেখতে আসা তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ পরিচালক সৈয়দ সাদেক আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আর এ জন্য উচ্চমানের পণ্যের বিকল্প নেই। টেক্সটেক এক্সপো ভালো একটি উদ্যোগ। একই ছাদের নিচে উদ্যোক্তাদের বিশ্বের নামিদামি প্রতিষ্ঠানের পণ্য দেখার সুযোগ হয়েছে।

চীনের টেক্সটাইল খাতের আরেক প্রতিষ্ঠান জহং হু-এর পরিচালক জনসন লিং বলেন, ‘বড় ব্যবসায়িক লক্ষ্য নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছি। কারণ বাংলাদেশে গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানির ভালো সুযোগ আছে। এখানে প্রচুর গার্মেন্ট কম্পানি রয়েছে। আশা করি, লক্ষ্য পূরণ করতে পারব। ’

আইসিসিবির চারটি হল ও খোলা জায়গায় আরো ৯টি প্যাভিলিয়নে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এবারের প্রদর্শনীগুলোয় থাকছে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টশিল্পের আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি, সুতা ও কাপড় উত্পাদক মেশিনারিজ, ডাইস এবং বিশেষ রাসায়নিক দ্রব্যের বিশাল সমাহার। টেক্সটেক, ইয়ান অ্যান্ড ফেব্রিক শো এবং ডাই-ক্যাম এক্সপোগুলো একটি সিরিজ এক্সিবিশন, যা ১৭ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করে আসছে সেমস গ্লোবাল।

মেলায় ২৩টি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় এক হাজার ৫০টি প্রদর্শক সংস্থা অংশগ্রহণ করছে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।


মন্তব্য