kalerkantho


মিডিয়াব্যক্তিত্ব ও পুলিশের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বক্তারা

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাই বেশি আইন লঙ্ঘন করেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে কে বিচারপতি কে মন্ত্রী তা দেখলে চলবে না। রাজনৈতিক ও ব্যক্তি প্রভাবমুক্ত হয়ে জনগণের জন্য কাজ করতে হবে পুলিশকে। অনেক সময় দেখা যায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাই বেশি আইন লঙ্ঘন করেন। পুলিশ ও গণমাধ্যমের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা বিধানে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে অনেক সময় অনেক ধরনের পদক্ষেপ নিতে হয়। সেগুলো নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন না করে কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ ওই সব পদক্ষেপ নেয় সেগুলো উঠে আসা উচিত গণমাধ্যমে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আয়োজনে ‘জননিরাপত্তা বিধানে পুলিশ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায়। বক্তব্য দেন আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিশিষ্টজনরা।

পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাই আইন লঙ্ঘন করেন। পুলিশ ইচ্ছা করলেই সব কিছু করতে পারে না। পুলিশের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। ভুলত্রুটি পুলিশেরও আছে। পুলিশের সমালোচনা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, পুলিশ এবং গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। আক্রান্ত হলে আমরা পুলিশেরই কাছে যাই। মিডিয়ার কাজ হলো  শান্তিশৃঙ্খলা যারা ভঙ্গ করে তাদের বিরুদ্ধে কলম ধরা।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, পুলিশ রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার হবে না। আস্থার জায়গা, পরিষ্কার সম্পর্ক রাখতে হবে পুলিশকে।

সূচনা বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘আইন মানার সংস্কৃতি আমাদের মাঝে নেই। লাঠিপেটা করে কাউকে আইন মানানো যায় না। গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনমত তৈরি করে জননিরাপত্তা সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যম আমাদের ত্রুটি বিচ্যুতিগুলো ধরিয়ে দিলে আমরা উপকৃত হবো। ’

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের পরিচালনায় মতবিনিময়কালে আরো বক্তব্য দেন মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান, কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ, ৭১ টেলিভিশনের মোজাম্মেল বাবু, এশিয়ান টিভির মঞ্জুরুল ইসলাম, এটিএন নিউজের মুন্নি সাহা প্রমুখ।


মন্তব্য