kalerkantho


জীবনবৃত্তান্তে অপ্রয়োজনীয়

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



জীবনবৃত্তান্তে অপ্রয়োজনীয়

১. উদ্দেশ্য : অবজেকটিভ বা উদ্দেশ্য রাখার কোনো দরকার নেই। আপনি চাকরির জন্য আবেদন করেছেন মানেই হলো, আপনি চাকরিটা পেতে আগ্রহী। কেবল পেশা কিংবা চাকরির ক্ষেত্র পরিবর্তনের পরিকল্পনা থাকলেই ‘অবজেকটিভ’ রাখতে পারেন।

২. অপ্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা : আপনি যে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন, সেই সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা থাকলেই তা জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ করুন। অন্যান্য অভিজ্ঞতা তো কাজে লাগেই না, বরং তা চাকরি না হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

৩. অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য : বোঝার চেষ্টা করুন, আপনার সব ব্যক্তিগত তথ্য চাকরিদাতার জানার কোনো দরকার নেই। তাই প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েই জীবনবৃত্তান্ত বানানো উচিত।

৪. শখ : আপনি একজন শৌখিন মানুষ কি না, তা জানতে চাকরিদাতা মোটেও আগ্রহী নন। তাই শখের বিষয়টি জীবনবৃত্তান্ত থেকে বাদ দিন।

৫. স্থূল মিথ্যা : চাকরির আবেদনে এমন কোনো মিথ্যা কথা উল্লেখ করা উচিত নয়, যা সহজেই নিয়োগকর্তার চোখে পড়ে। এতে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। প্রকৃতপক্ষে কোনো ধরনের মিথ্যাই ভালো নয়।

৬. অতিরিক্ত লেখা : জীবনবৃত্তান্ত এমন হওয়া উচিত, যাতে অপ্রয়োজনীয় কোনো তথ্যই তাতে না থাকে। অতিরিক্ত তথ্যের ভিড়ে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়তে পারেন নিয়োগকর্তারা।

৭. বিভিন্ন রকমের বিন্যাস : জীবনবৃত্তান্তে একাধিক ধরনের বিন্যাস ব্যবহার করা ঠিক নয়। একটি জীবনবৃত্তান্তে একটি বিন্যাসই ব্যবহার করুন।

৮. ব্যক্তিগত সম্বোধন : আমি, তুমি, সে—এ ধরনের শব্দ জীবনবৃত্তান্তে ব্যবহার করা উচিত নয়। দরকার নেই ‘যেহতু’, ‘সেহেতু’ রকমের শব্দও।

৯. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম : জীবনবৃত্তান্তে নিজের ফেসবুক কিংবা টুইটার প্রোফাইলের তথ্যাদি উল্লেখ করা ঠিক নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনার উপস্থিতি বিশেষ কোনো অর্থ বহন করলেই কেবল তা উল্লেখ করতে পারেন।

১০. পুরনো বা নান্দনিক হরফ : জীবনবৃত্তান্তে বহুল ব্যবহৃত হরফই (ফন্ট) ব্যবহার করা উচিত। পুরনো কিংবা নান্দনিক হরফের ব্যবহারে মোটেও পেশাদারি মনোভাবের প্রকাশ ঘটায় না।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে

ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য