kalerkantho


উইক্যান-ড্যাফোডিল অ্যাপস ফেলোশিপে রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ চ্যাম্পিয়ন

১ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



উইক্যান-ড্যাফোডিল অ্যাপস ফেলোশিপ ২০১৬-এর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ চ্যাম্পিয়ন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম রানার-আপ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। প্রতিযোগিতায় চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে যথাক্রমে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান প্রধান অতিথি হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, ক্ষমতায়ন নিশ্চিতসহ নারী নির্যাতন বন্ধে তথ্যপ্রযুক্তি অবদান রাখতে পারে—এমন ধারণা থেকে যৌথভাবে এ ফেলোশিপের আয়োজন করে ‘আমরাই পারি জোট (উই ক্যান)’ এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উই ক্যান বাংলাদেশের চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান, উই ক্যানের জাতীয় সমন্বয়কারী জিনাত আরা হক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম লুত্ফর রহমান ও শিওর ক্যাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শাহাদাত খান প্রমুখ। এ ছাড়া ইয়থ প্রোগ্রাম-প্রথম আলোর কো-অর্ডিনেটর মুনীর হাসান, অক্সফামের আইটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কো-অর্ডিনেটর তাপস রঞ্জন চক্রবর্তী, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. সৈয়দ আখতার হোসাইন, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মাহমুদা নাজনীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে নারীদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি; তা খেলা হোক, গার্মেন্টস হোক অথবা সামরিক বাহিনীর ভূমিকা হোক। তাই তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ত্বরান্বিত করার এই প্রয়াস গুরুত্বপূর্ণ। ’ প্রযুক্তির সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।  

সুলতানা কামাল বলেন, ‘নারী স্বাধীন না হলে সমাজ স্বাধীন হবে না। দেশের অগ্রগতিতে নারীর ভূমিকা অপরিসীম।

নারীদের একটি নির্যাতনমুক্ত জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অ্যাপস্গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ’

সারা দেশ থেকে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। ৯৬টি দলের আবেদনের ভিত্তিতে সাধারণ পর্যায়ে ২২টি দল উত্তীর্ণ হয়। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ ও বাছাইয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্বের জন্য ৯টি দল নির্বাচিত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।


মন্তব্য