kalerkantho

25th march banner

প্রায় শূন্য হাতে ব্যবসা শুরু করতে...

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



প্রায় শূন্য হাতে ব্যবসা শুরু করতে...

বিনিয়োগ কেন প্রয়োজন?

১. আপনার স্থান ও ব্যবসার ধরন বুঝে লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে ফেলতে হবে। ২. আপনার কম্পিউটার বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি কি লাগবে? ৩. বিশেষায়িত যন্ত্রপাতি বা সফটওয়্যার কি প্রয়োজন? ৪. অফিস নিতে হবে? এটা বিনিয়োগের বেশ ভালো অংশ দখল করে। এ ছাড়া ইন্টারনেট সংযোগ ও ইউটিলিটি খরচ এড়ানো সম্ভব নয়। ৫. ব্যবসার জন্য প্রতি মাসে কোনো অ্যাসোসিয়েশন, সাবস্ক্রিপশন বা মেম্বারশিপের প্রয়োজন আছে? ৬. ব্যবসা সচল রাখতে কী পরিমাণ খরচের প্রয়োজন হবে? ৭. ব্যবসা প্রসারে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিতে শুরু করেছেন কি? ৮. কাজটি যদি একা করতে না পারেন, তবে কর্মচারী বা সহযোগীর প্রয়োজন হবে।

এগুলো স্পষ্ট করুন। এখানে আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হবে, খরচ কমিয়ে বাইরের উৎস থেকে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা। এর জন্যে তিনটি কাজ জরুরি।

১. প্রয়োজন কমিয়ে আনা : ব্যবসার কাঠামো ও কার্যপ্রণালীতে প্রয়োজন কমিয়ে আনতে হবে। যেমন পারসোনাল ট্রেইনার বিষয়ক কম্পানি শুরু করতে চাইলে বাড়তি কর্মী না নিয়ে নিজেই কাজটি করুন। এতে খরচ অনেক কমে আসবে। একইভাবে অফিস ভাড়া না করে বাড়িতে বসেই কাজ করা যায়।

২. মৌলিক অংশে কাজ করুন : ক্রেতা বা আগ্রহীদের পেতে একটি ব্লগ বা ফেসবুক পেজ চালু করতে পারেন। এতে অন্তত আপনার খবরটি ছড়াবে। আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

৩. বাইরের উৎস থেকে বিনিয়োগ : এবার কিছু লগ্নির প্রয়োজন। কয়েকটি অর্থপূর্ণ উৎস এমন হতে পারে-

ক. বন্ধুবান্ধব বা পরিবার-পরিজন প্রত্যেকের জীবনের বড় উৎস। খ. বিশেষ একটি কারণে বিনিয়োগ জোগাড়ের জনপ্রিয় একটি  উপায় ‘ক্রাউডফান্ডিং’। ভালো মানের আইডিয়া ও যথেষ্ট পরিশ্রমের মাধ্যমে যেকোনো মানুষকে বিনিয়োগে আগ্রহী করে তোলা যায়। গ. সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে নতুন উদ্যোক্তারা যথেষ্ট সহায়তা পেয়ে থাকে।

 বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য