kalerkantho


ক্যাম্পের বাইরে অবৈধ বিহারিদের উচ্ছেদে হাইকোর্টের রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্পগুলোর বাইরে অবৈধভাবে বসবাসরত উর্দুভাষী অবাঙালিদের উচ্ছেদের বিরুদ্ধে করা ৯টি রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ রায়ের ফলে সরকার নির্ধারিত ক্যাম্পের বাইরে অবস্থান থেকে তাদের উচ্ছেদে আইনগত বাধা থাকল না। তবে রায়ে ক্যাম্পে বসবাসরতদের মধ্যে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে তাদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন করতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ রায় দেন। এ বিষয়ে ৯টি রিট আবেদনের ওপর আগে জারি করা রুলের শুনানি শেষে গতকাল পর্যবেক্ষণসহকারে রিট আবেদনগুলো খারিজ করে রায় দেন আদালত।

আদালতে রিট আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদা পারভীন পপি।

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় নির্ধারিত ক্যাম্পের আশপাশের সরকারি জায়গায় ১৯৯৫ সালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে প্লট বরাদ্দ দেয়। ২০০২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটি করপোরেশন পল্লবীর ক্যাম্পের আশপাশের বিহারিদের দোকানপাট উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়। এর বিরুদ্ধে ‘উর্দু স্পিকিং পিপলস ইউথ রিহ্যাবিলিটেশন মুভমেন্ট’-এর সভাপতি সাদাকাত খান (ফাক্কু) ও শাহিদ আলী বাবলু হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। হাইকোর্ট বিকল্প ব্যবস্থা না করে ক্যাম্পবাসীদের বাড়িঘর, দোকান ও তাদের ব্যবহূত খালি জায়গা থেকে উচ্ছেদ না করতে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেন। এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকার পরও জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পবাসীদের বাড়ি, ঘর, দোকান উচ্ছেদের চেষ্টা করে। এ অবস্থায় সাদাকাত খান ২০০৩ সালে হাইকোর্টে আরেকটি রিট আবেদন করেন। আদালত কর্তৃপক্ষের ওপর রুল জারি করেন। এ ছাড়া একই রকম আরো আটটি রিট আবেদন করা হয়। গত ২৫ জানুয়ারি আবেদনগুলোর ওপর একসঙ্গে শুনানির জন্য বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে কার্যতালিকাভুক্ত হয়। গতকাল শুনানি শেষে আদালত রুল খারিজ করে রায় দেন।


মন্তব্য