kalerkantho


‘মনের অসুখে’ ৫ পরামর্শ

৩০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



‘মনের অসুখে’ ৫ পরামর্শ

১. আবেগ পরিশোধন : দেহের মতো আবেগও ময়লামুক্ত রাখতে হয়। মানসিক স্বাস্থ্যবিধিতে আবেগ প্রকাশে সচেতন থাকা, মানসিক আঘাত থেকে মুক্ত থাকা কিংবা অস্থিরতা এড়িয়ে চলার কথাই বেশি বলা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যে মানসিক যন্ত্রণা ক্রমাগত আপনাকে তাড়া করে বেড়ায়, তা থেকে মুক্তির জন্য প্রতিদিনই লড়াই করে যেতে হবে।

২. মানসিক যন্ত্রণায় মনোযোগ : দৈহিক ক্ষতের মতো মনের ক্ষত সারাতেও সময় দরকার। তবে বহুদিনেও মনের ক্ষত না শুকালে অভিজ্ঞজনের সহায়তা নিন। মনোবিজ্ঞানী গাই উইঞ্চের মতে, ব্যর্থ হওয়ার প্রথম অবস্থায় ‘ইমোশনাল ফার্স্ট এইড’ (মানসিক আঘাত সারানোর একটা কৌশল) পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে। এটা মানসিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে মনের ক্ষত সারাতে মনের যত্নও নিতে হবে।

৩. মানসিক ‘রক্তক্ষরণ’ বন্ধ করুন : দেহের কোথাও ক্ষত হলে সেখানে বেশি বেশি হাত দেওয়া কিংবা খোঁচাখুঁচি করা ঠিক নয়। মনের ক্ষতের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। বাইরের পরিস্থিতি যদি আপনার মনের ক্ষত স্পর্শ করে, তাহলে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। মনঃসংযোগ ঘটাতে হবে অন্য কোথাও।

৪. আবেগ রক্ষা করুন : সবার ভেতরেই মানসিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা আছে। এই ক্ষমতা জিইয়ে রাখা কিংবা সুস্থ রাখার দায়িত্ব আমাদেরই। এ জন্য মানসিক শক্তি ও সহনশীলতা বাড়াতে পদক্ষেপ নিন। জীবনের কোনো বিষয় নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা ও আলাপচারিতা ত্যাগ করুন। আত্মবিশ্বাস ও আত্মনির্ভরশীলতা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে মনটাকে রক্ষা করুন যেকোনো আঘাত থেকে।

৫. সহানুভূতি দেখান : আত্মবিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হলে একমাত্র সহানুভূতির চর্চা একে স্বাস্থ্যবান করে তুলতে পারে। তবে সফল হতে ধৈর্য, সময় ও আত্মপ্রেম থাকা চাই। নিজের প্রতি ভালোবাসা সক্রিয় করতে পারলে প্রাণের সতেজতা বাড়ে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে

সাকিব সিকান্দার  


মন্তব্য