kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


দেশে দেশে স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপিত

যুদ্ধাপরাধের বিচারসহ অমীমাংসিত ইস্যুর নিষ্পত্তি চায় ঢাকা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে গতকাল শনিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, স্বাধীনতাপূর্ব অবিভাজিত সম্পদের ন্যায্য হিস্যাসহ অনিষ্পন্ন সব ইস্যু পাকিস্তান দ্রুত নিষ্পত্তি করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন করাচিতে বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার নূরে হেলাল সাইফুর রহমান।

করাচি : কূটনৈতিক প্রতিবেদক জানান, গতকাল ভোরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের করাচিতে উপহাইকমিশনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের চিরশান্তি এবং দেশের অব্যাহত উন্নতি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা এসব অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে উপহাইকমিশনার নূরে হেলাল সাইফুর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ উপহাইকমিশন আগামীকাল সোমবার স্থানীয় এক হোটেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

নয়াদিল্লি : বাসস জানায়, ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত হয়। ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি পালন শুরু করেন। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট ও মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

আগামীকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভারতের রাজনীতিক, বাংলাদশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতের সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত থাকবেন।

কলকাতা : বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস কলকাতায় সাড়ম্বরে উদ্যাপিত হয়েছে। গতকাল সকালে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনটির সূচনা করেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার জকি আহাদ। পরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং বাংলাদেশের সুখ, সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মিলান : বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে ইতালির মিলানে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। দিবসটির শুরুতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কনসাল জেনারেল রেজিনা আহমেদ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।


মন্তব্য