kalerkantho

25th march banner

স্থায়ী কমিটির বৈঠক

পায়রা বা সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর চালু ২০২৬ সালে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



২০২৬ সালে পায়রা বা সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হবে। ২০৪৩ সালে কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে ৫০ শতাংশ এবং সোনাদিয়া বা পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর দিয়ে বাকি ৫০ শতাংশ করার মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানায় মন্ত্রণালয়। কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর-উত্তমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান, তালুকদার আব্দুল খালেক, মো. হাবিবর রহমান, এম আব্দুল লতিফ, রণজিত্ কুমার রায়, মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার) ও মমতাজ বেগম এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৬ সালে পায়রা বা সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দরকে পুরোদমে অপারেশনে আনতে হবে, যাতে অতিরিক্ত কার্গো ও কনটেইনারের হ্যান্ডলিং করতে পারে। ২০৪৩ সাল নাগাদ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর মোট কার্গো ও কনটেইনারের ৫০ শতাংশ হ্যান্ডলিং করবে। বাকি ৫০ শতাংশ পায়রা বা সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর হ্যান্ডলিং করবে। সেভাবেই একটি মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছে। আরো জানানো হয়, ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দর ৫০ কোটি টন কার্গো হ্যান্ডেল করেছে এবং প্রায় ১৭ লাখ টিউব কনটেইনার হ্যান্ডেল করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরে কার্গোর প্রবৃদ্ধি প্রায় ১১ শতাংশ এবং কনটেইনারের প্রবৃদ্ধি ১৩ শতাংশের বেশি।

চট্টগ্রাম বন্দরের নামে যত সম্পত্তি আছে তার সবটুকু বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করার জন্য কর্তৃত্ব অর্জন করুক—এ সুপারিশ করেছে কমিটি। বন্দরের আইন যুগোপযোগী করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে পরামর্শক নিয়োগ করে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশও করা হয়। এ ছাড়া, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহের জন্য জি টু জি এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অর্ধেক অর্ধেক করে যন্ত্রপাতি কেনার সুপারিশ করা হয়।


মন্তব্য