kalerkantho

25th march banner

তদন্তে অগ্রগতি নেই

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

২৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। সম্ভাব্য মোটিভ নিয়ে বিশ্লেষণ হলেও হত্যার সঠিক কারণ সম্পর্কে গতকাল পর্যন্ত ধারণা মেলেনি। পুলিশ বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করলেও তদন্তে অগ্রগতি আসেনি।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি মো. জমির উদ্দিন জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার রাতে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে চারজনকে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সন্দেহভাজন একজনকে আদালতে চালান করা হয়েছে। নিহতের ছেলে রাহুল আমিন আজাদ সদর থানায় দায়ের করা মামলায় আসামি করেছেন অজ্ঞাতদের। তিনিও খুনিদের ব্যাপারে ধারণা দিতে পারেননি।

মঙ্গলবার সকালে শহরের গাড়িয়ালপাড়ার বাড়ির সামনে খুন হন মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী। তিনি খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। মোটরসাইকেল আরোহী তিনজন তাঁকে প্রকাশ্যে জবাই করে ককটেল ফাটিয়ে পালিয়ে যায়। চাঞ্চল্যকর এ খুনের ঘটনা দেশে-বিদেশে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা থেকে সিআইডির একটি দল বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম পৌঁছেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ছাড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, গোয়েন্দা পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন শাখার সদস্যরা রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে রয়েছে। তবে দৃশ্যমান অগ্রগতি ঘটেনি তদন্তে।

এদিকে খুনিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় আতঙ্কিত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন। ধর্মান্তরের জন্য জঙ্গিরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আলোচনা জোরালো হওয়ায় ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে অন্যদের মাঝে। ধর্মযাজক রেভারেন্ট ফোরকান আল মশীহ বলেন, ‘আমরা যেন শান্তিপূর্ণভাবে ধর্ম পালন করতে পারি সরকারের উচিত সে ব্যবস্থা করা। ’

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এতে আতঙ্কিত না হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করলে দ্রুতই খুনি শনাক্ত সম্ভব হবে। ’


মন্তব্য